১১:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তারকব্রহ্মের জয়ধ্বনিতে মুখরিত মির্জাগঞ্জ; আধ্যাত্মিক মিলনমেলা’ ও ‘পুণ্যার্থী’ ভক্তদের জয়ধ্বনিতে মুখরিত মন্দির প্রাঙ্গণ!

মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী বাজার সর্বজনীন শ্রীশ্রী দুর্গা মন্দির কমপ্লেক্সে ২০ এপ্রিল থেকে শুভ অক্ষয় তৃতীয়া উপলক্ষে ২৪ প্রহরব্যাপী অখণ্ড শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম মহানামযজ্ঞ ও অনুষ্ঠানমালার তৃতীয় দিনের শেষ প্রহর দেশ মাতৃকা ও বিশ্বের সকল জীবের শান্তি, মঙ্গল ও কল্যাণ কামনায় প্রতি বছরের ন্যায় এবারও উৎসবের আয়োজন করা হয়।

৬ বৈশাখ শ্রীমদ্ভাগবত পাঠের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা ঘটে। মূল আকর্ষণ অখণ্ড নামসংকীর্তন ১০ বৈশাখ সকালে কুঞ্জভঙ্গ, নগরকীর্তন ও জলকেলি এবং মধ্যাহ্নে মহাপ্রভুর ভোগরাগ ও মহাপ্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

এবারের মহানামযজ্ঞে নামসুধা পরিবেশন করেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রখ্যাত দলসমূহ। এর মধ্যে রয়েছে— ঢাকার বন্ধু বিহারী সম্প্রদায়, ঝিনাইদহের গৌরহরি সম্প্রদায়, মাদারীপুরের বিষ্ণু মন্দির সম্প্রদায়, বরিশালের সত্য নারায়ণ সম্প্রদায়, মাগুরার রাধাকৃষ্ণ সম্প্রদায় এবং গোপালগঞ্জের মা সারদা সম্প্রদায়।

কীর্তন উদযাপন কমিটির সভাপতি সঞ্জয় কুমার দাস (মনু) ও সাধারণ সম্পাদক রতন দেবনাথ জানান, উৎসবের সকল কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং ২৫ এপ্রিল দুপুর ২ ঘটিকায় মহোৎসবের জন্য সকল ভক্ত বৃন্দকে উপস্থিত থেকে প্রসাদ গ্রহণ করার জন্য সবিনয়ে অনুরোধ ব্যক্ত করেন কীর্তন উদযাপন কমিটির আয়োজকবৃন্দ।

সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছেন কীর্তন উদযাপন কমিটির কোষাধ্যক্ষ মিঠুন কর্মকার এবং প্রধান উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট কালাচান সাহা। ৫ দিনব্যাপী এই বর্ণাঢ্য ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে স্থানীয় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।

Tag:

পটুয়াখালীর দশমিনায় নিজ ছেলেকে বিক্রি করে আইফোন কিনলেন বাবা! শিশুটিকে উদ্ধারে নেমেছে পুলিশ

তারকব্রহ্মের জয়ধ্বনিতে মুখরিত মির্জাগঞ্জ; আধ্যাত্মিক মিলনমেলা’ ও ‘পুণ্যার্থী’ ভক্তদের জয়ধ্বনিতে মুখরিত মন্দির প্রাঙ্গণ!

আপডেট সময়: ০১:২২:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী বাজার সর্বজনীন শ্রীশ্রী দুর্গা মন্দির কমপ্লেক্সে ২০ এপ্রিল থেকে শুভ অক্ষয় তৃতীয়া উপলক্ষে ২৪ প্রহরব্যাপী অখণ্ড শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম মহানামযজ্ঞ ও অনুষ্ঠানমালার তৃতীয় দিনের শেষ প্রহর দেশ মাতৃকা ও বিশ্বের সকল জীবের শান্তি, মঙ্গল ও কল্যাণ কামনায় প্রতি বছরের ন্যায় এবারও উৎসবের আয়োজন করা হয়।

৬ বৈশাখ শ্রীমদ্ভাগবত পাঠের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা ঘটে। মূল আকর্ষণ অখণ্ড নামসংকীর্তন ১০ বৈশাখ সকালে কুঞ্জভঙ্গ, নগরকীর্তন ও জলকেলি এবং মধ্যাহ্নে মহাপ্রভুর ভোগরাগ ও মহাপ্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

এবারের মহানামযজ্ঞে নামসুধা পরিবেশন করেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রখ্যাত দলসমূহ। এর মধ্যে রয়েছে— ঢাকার বন্ধু বিহারী সম্প্রদায়, ঝিনাইদহের গৌরহরি সম্প্রদায়, মাদারীপুরের বিষ্ণু মন্দির সম্প্রদায়, বরিশালের সত্য নারায়ণ সম্প্রদায়, মাগুরার রাধাকৃষ্ণ সম্প্রদায় এবং গোপালগঞ্জের মা সারদা সম্প্রদায়।

কীর্তন উদযাপন কমিটির সভাপতি সঞ্জয় কুমার দাস (মনু) ও সাধারণ সম্পাদক রতন দেবনাথ জানান, উৎসবের সকল কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং ২৫ এপ্রিল দুপুর ২ ঘটিকায় মহোৎসবের জন্য সকল ভক্ত বৃন্দকে উপস্থিত থেকে প্রসাদ গ্রহণ করার জন্য সবিনয়ে অনুরোধ ব্যক্ত করেন কীর্তন উদযাপন কমিটির আয়োজকবৃন্দ।

সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছেন কীর্তন উদযাপন কমিটির কোষাধ্যক্ষ মিঠুন কর্মকার এবং প্রধান উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট কালাচান সাহা। ৫ দিনব্যাপী এই বর্ণাঢ্য ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে স্থানীয় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।