০৫:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাংবাদিক শাহাদাত এর পিতা কে এম সরোয়ার খানের জানাজায় মানুষের ঢল

  • জালাল আহমেদ:
  • আপডেট সময়: ০৯:২৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮৯ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালী সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক ও সাংবাদিক কে. এম শাহাদাত হোসেন এর পিতা কে. এম সরোয়ার হোসেন খান এর জানাজায় শোকাহত মানুষের ঢল।

বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুর ২ টায় পটুয়াখালী সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের মাঠে সাংবাদিক কে এম শাহাদাত হোসেন খান এর পিতা কে.এম. সরোয়ার হোসেন খান এর জানাজা নামায পরিচালনা করেন জুবিলী স্কুল জামে মসজিদের ইমাম  মাওলানা মো. মিজানুর রহমান। 

জানাজা নামায পূর্ব মরহুমের জন্য দোয়া চেয়ে ও শোকাহত পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইব্রাহিম খলিল, সিনিয়র শিক্ষক মো. শাহ আলম, মরহুমের স্বজন মো. জাকির হোসেন খান। বাবার জন্য দোয়া চেয়েছেন মরহুমের একমাত্র ছেলে সন্তান সাংবাদিক কে. এম শাহাদাত হোসেন।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পিপি অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাকসুদ আহম্মেদ বায়জীদ পান্না, জেলা শিক্ষা অফিসার মো. মুজিবুর রহমান, বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারি শিক্ষক শাহাদত হোসেন, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. কামাল হোসেন, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. মনিরুল ইসলাম লিটন, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া আহম্মেদ, জেলা ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আন নাহিয়ান, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি জাহিদুর রহমান খান বাবু ও জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মো. জাফর উল্লাহসহ শত শত মুসুল্লি।

মরহুমের দ্বিতীয় জানাজা তার গ্রামের বাড়ি দক্ষিণ ধরান্দীতে অনুষ্ঠিত হয় এবং পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

উল্লেখ্য, জুবিলী স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক কে. এম সরেয়ার খান বুধবার ভোর ৪.৩০ মিঃ নবাবপাড়াস্থ বাসায় বার্ধক্যজনিত অসুস্থার কারনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি….  রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি এক ছেলে ও দুই মেয়েসহ বহু আত্মীয় স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

Tag:

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সেইভ করুন:

আমাদের সম্পর্কে জানুন:

South BD News 24

South BD News 24 is committed to publish the daily news of South Bengal based on authenticity, honesty and courage...

পটুয়াখালী ছোটবিঘাই অফিসের হাট রাস্তার বেহাল দশা; সদর উপজেলা প্রকৌশলী খায়রুল বাশারের পরিদর্শন

সাংবাদিক শাহাদাত এর পিতা কে এম সরোয়ার খানের জানাজায় মানুষের ঢল

আপডেট সময়: ০৯:২৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

পটুয়াখালী সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক ও সাংবাদিক কে. এম শাহাদাত হোসেন এর পিতা কে. এম সরোয়ার হোসেন খান এর জানাজায় শোকাহত মানুষের ঢল।

বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুর ২ টায় পটুয়াখালী সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের মাঠে সাংবাদিক কে এম শাহাদাত হোসেন খান এর পিতা কে.এম. সরোয়ার হোসেন খান এর জানাজা নামায পরিচালনা করেন জুবিলী স্কুল জামে মসজিদের ইমাম  মাওলানা মো. মিজানুর রহমান। 

জানাজা নামায পূর্ব মরহুমের জন্য দোয়া চেয়ে ও শোকাহত পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইব্রাহিম খলিল, সিনিয়র শিক্ষক মো. শাহ আলম, মরহুমের স্বজন মো. জাকির হোসেন খান। বাবার জন্য দোয়া চেয়েছেন মরহুমের একমাত্র ছেলে সন্তান সাংবাদিক কে. এম শাহাদাত হোসেন।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পিপি অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাকসুদ আহম্মেদ বায়জীদ পান্না, জেলা শিক্ষা অফিসার মো. মুজিবুর রহমান, বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারি শিক্ষক শাহাদত হোসেন, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. কামাল হোসেন, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. মনিরুল ইসলাম লিটন, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া আহম্মেদ, জেলা ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আন নাহিয়ান, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি জাহিদুর রহমান খান বাবু ও জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মো. জাফর উল্লাহসহ শত শত মুসুল্লি।

মরহুমের দ্বিতীয় জানাজা তার গ্রামের বাড়ি দক্ষিণ ধরান্দীতে অনুষ্ঠিত হয় এবং পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

উল্লেখ্য, জুবিলী স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক কে. এম সরেয়ার খান বুধবার ভোর ৪.৩০ মিঃ নবাবপাড়াস্থ বাসায় বার্ধক্যজনিত অসুস্থার কারনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি….  রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি এক ছেলে ও দুই মেয়েসহ বহু আত্মীয় স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।