০১:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দলীয় কর্মী হ*ত্যার প্রতিবাদে পটুয়াখালীতে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ

  • জালাল আহমেদ:
  • আপডেট সময়: ০৬:৫৯:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • ৫৫১ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ফেসবুকে পোস্ট দেয়ার ঘটনায় ইসলামী আন্দোলনের সমর্থক ইদ্রিস আলীকে যুবদল অফিসে ডেকে নিয়ে নির্যাতন ও মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত নীলগঞ্জ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলামকে অবিলম্বে গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার  দুপুর ২ টায় পৌর নিউমার্কেট হতে পটুয়াখালী জেলা ইসলামী আন্দোলনের আয়োজনে  বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুরান বাজার মসজিদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। 

সেখানে এক সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পটুয়াখালী জেলা কমিটির সভাপতি হাওলাদার সেলিম মিয়া, সিনিয়র সহসভাপতি মাওঃ নুজরুল ইসলাম, সেক্রেটারি মোঃ আঃ হাকিম, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হোসেন লিটন, সহ: সেক্রেটারি মাওঃ আবুল বাশার জেহাদী ও আবুল হাসান বোখারী প্রমুখ।

বক্তারা দলের কর্মী ইদ্রিস হত্যায় জড়িত যুবদল নেতা জহিরুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানান।

এদিকে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ইউপি সদস্য মো. জহিরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ মার্চ) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বহিষ্কৃত নেতার কোনো ধরনের অপকর্মের দায়-দায়িত্ব দল নেবে না। যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেয়া হয়। যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি ইতোমধ্যে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন বলে জানানো হয়।

এর আগে, গত ২৬ ফেব্রুয়ারী যুবদল নেতা জহিরুল ইসলামের ছবি সম্বলিত একটি রান্নার পোস্টে ইদ্রিস আলী তার আইডি থেকে একটি কমেন্ট করেন। কমেন্টে বলা হয় রাতে গরু চুরি, দিনে রান্না। এ কমেন্টের জের ধরে ইদ্রিস আলীকে অফিসে ডেকে নিয়ে জহিরুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা মারধর করে। এতে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং ২ মার্চ মারা যায়। এ ঘটনায় ৩ মার্চ সকালে নিহতের স্ত্রী ও দুই সন্তান ঢাকা থেকে ইদ্রিসের মরদেহ কলাপাড়া থানায় নিয়ে আসে এবং বিচার দাবী করেন।

Tag:
জনপ্রিয়

দশমিনায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে শান্তিপূর্ণভাবে দুই গ্রুপের পৃথক মিছিল-সমাবেশ অনুষ্ঠিত

দলীয় কর্মী হ*ত্যার প্রতিবাদে পটুয়াখালীতে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ

আপডেট সময়: ০৬:৫৯:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ফেসবুকে পোস্ট দেয়ার ঘটনায় ইসলামী আন্দোলনের সমর্থক ইদ্রিস আলীকে যুবদল অফিসে ডেকে নিয়ে নির্যাতন ও মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত নীলগঞ্জ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলামকে অবিলম্বে গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার  দুপুর ২ টায় পৌর নিউমার্কেট হতে পটুয়াখালী জেলা ইসলামী আন্দোলনের আয়োজনে  বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুরান বাজার মসজিদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। 

সেখানে এক সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পটুয়াখালী জেলা কমিটির সভাপতি হাওলাদার সেলিম মিয়া, সিনিয়র সহসভাপতি মাওঃ নুজরুল ইসলাম, সেক্রেটারি মোঃ আঃ হাকিম, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হোসেন লিটন, সহ: সেক্রেটারি মাওঃ আবুল বাশার জেহাদী ও আবুল হাসান বোখারী প্রমুখ।

বক্তারা দলের কর্মী ইদ্রিস হত্যায় জড়িত যুবদল নেতা জহিরুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানান।

এদিকে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ইউপি সদস্য মো. জহিরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ মার্চ) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বহিষ্কৃত নেতার কোনো ধরনের অপকর্মের দায়-দায়িত্ব দল নেবে না। যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেয়া হয়। যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি ইতোমধ্যে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন বলে জানানো হয়।

এর আগে, গত ২৬ ফেব্রুয়ারী যুবদল নেতা জহিরুল ইসলামের ছবি সম্বলিত একটি রান্নার পোস্টে ইদ্রিস আলী তার আইডি থেকে একটি কমেন্ট করেন। কমেন্টে বলা হয় রাতে গরু চুরি, দিনে রান্না। এ কমেন্টের জের ধরে ইদ্রিস আলীকে অফিসে ডেকে নিয়ে জহিরুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা মারধর করে। এতে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং ২ মার্চ মারা যায়। এ ঘটনায় ৩ মার্চ সকালে নিহতের স্ত্রী ও দুই সন্তান ঢাকা থেকে ইদ্রিসের মরদেহ কলাপাড়া থানায় নিয়ে আসে এবং বিচার দাবী করেন।