ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ বিজয়ী দল বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্ব গঠিত হতে যাচ্ছে মন্ত্রী পরিষদ। এ মন্ত্রী পরিষদে পটুয়াখালী থেকে কে হবেন মন্ত্রী এ নিয়ে দলীয় নেতা- কর্মীসহ সচেতন নাগরিকদের মধ্যে চলছে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা।
এ আলোচনায় সবার আগে রয়েছেন পটুয়াখালী-১ (সদর-মির্জাগঞ্জ-দুমকি) আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপির অন্যতম ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক স্বরাষ্ট্র ও বানিজ্য মন্ত্রী বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল (অবঃ) আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরীর নাম। তিনি পটুয়াখালীর ৪টি আসনের মধ্যে সবচেয়ে ৯৩ হাজার ৯২৬ ভোট বেশী পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ভোট পেয়েছেন ১ লক্ষ ৫২ হাজার ৮৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাতপাখার প্রার্থী মোঃ ফিরোজ আলম পেয়েছেন মাত্র ৫৮ হাজার ১৬১ ভোট। তিনি বিগত সরকারের সময় কয়েকবার জেল খেটেছেন। তার বিরুদ্ধে প্রায় একডজন মামলা ছিল।
পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে বিএনপি মনোনীত কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা রাজপথের সাহসী নেতা অনেক জেল, জুলুম নির্যাতনের শিকার টকশোতে বিগত সরকারের কঠোরতর থেকে কঠোরতর সমালোচক এবিএম মোশাররফ হোসেন। তিনি ৫৩ হাজার ৮৮৬ ভোট বেশী পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ভোট পেয়েছিলেন ১ লক্ষ ২৪ হাজার ১৩ ভোট। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী হাতপাখার প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান পেয়েছেন ৭০ হাজার ১২৭ ভোট।
এ ছাড়াও আলোচনায় আছেন পটুয়াখা-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে বিএনপি সমর্থিত গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি, ডাকসুর সাবেক ভিপি বিগত সরকার বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামের অকুতোভয় বার বার কারাভোগকারী অমানবিক নির্যাতন হামলা- মামলার শিকার ভিপি নুরুল হক নুর’র নাম। তিনি ভোট পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৩২৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন ঘোড়া মার্কা নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৮১ হাজার ৩৬১ ভোট।
উল্লেখিত রাজনৈতিক নেতৃত্রোয় এখন ঢাকায় আছেন। এ তিন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের মধ্যে কে কে মন্ত্রী পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ পড়বেন, তা এখন দেখার অপেক্ষায় পটুয়াখালীর মানুষ।
জালাল আহমেদ: 










