১১:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালে দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্র চলছে” -আলতাফ হোসেন চৌধুরী

  • জালাল আহমেদ:
  • আপডেট সময়: ০৩:৩২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৭৬৬ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালী-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অবঃ) আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেছেন, “একটি সুষ্ঠ, সুন্দর,নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে হলে নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন, পুলিশ নিরপেক্ষ হওয়া দরকার। কিন্তু বিগত সরকার কোন ইনিস্টিটিউটকে নিরপেক্ষ রাখে নাই। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব ইনিস্টিটিউশনগুলো ধ্বংস করে দিয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আগামী নির্বাচন যাতে না হয় বা বানচাল হয়ে যায় সেজন্য একটা সিরিয়াস দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্র চলতেছে। এ ষড়যন্ত্রের জন্য নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক জোট হয়ে বার বার ভেঙ্গে যাচ্ছে। যারা দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্র করছে তাদের লক্ষ হচ্ছে কোন দল থেকে তারা বেশি সুবিধা পাবে। সেজন্য নির্বাচনী জোটের ভাঙ্গা গড়া চলছে।”

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বেলা ১১ টায় পটুয়াখালী শহরের সুরাইয়া ভবনে আয়োজিত সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ সব কথা বলেন।

আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অনেক কারণে। তার মধ্যে একটি হলো বিগত কয়েকটি নির্বাচনে আমাদের  অংশগ্রহন করার কোন সুযোগ ছিলনা, তারপর শুনলাম নির্বাচন হইতেছে, তারপর শুনলাম নির্বাচন হয়ে গেছে, তারপর শুনলাম এমপি লিস্ট, তারপর মন্ত্রী পরিষদ, তারপর লুটপাট। দ্বিতীয় কারণ বর্তমান ইউনুস সাহেবের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধির হাতে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়ে ওনারা সরে দাড়াতে চান। এদেশের রাজনীতিবিদ যারা তারাও চায়। জনগনও তাই চায়”। 

তিনি বলেন. “তারেক রহমানের বড় ক্যারিশমা হচ্ছে বিশাল জনসংখ্যার দেশটির এত বড় একটি বিশাল দলকে আট হাজার মাইল দূরে থেকে ভার্চুয়াল রিমোর্ট কন্টোল দিয়ে চালানো এবং ধরে রাখতে পেরেছেন। এটা এক অভূতপূর্ব ঐতিহাসিক কাহিনী”।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমরা প্রতিশ্রুতিতে নয়, কাজে বিশ্বাসী। নির্বাচনের পূর্বে কোন দান অনুদান করা যাবে না। তবে জনসংখ্যার অর্ধেক নারীদের জন্য এবং তরুনদের জন্য আমাদের অনেক পরিকল্পনা আছে। সাংবাদিকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা হবে।কোন বেআইনী কিছু করা হবে না”।

মতবিনিময় সভায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক মাকসুদ আহমেদ বায়েজিদ পান্না, সমন্বয়ক এ্যাডভোকেট ওয়াহিদ সরোয়ার কালাম, এ্যাডভোকেট তৌফিক আলী খান কবির ও প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট এ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

Tag:

পটুয়াখালীর দশমিনায় নিজ ছেলেকে বিক্রি করে আইফোন কিনলেন বাবা! শিশুটিকে উদ্ধারে নেমেছে পুলিশ

“জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালে দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্র চলছে” -আলতাফ হোসেন চৌধুরী

আপডেট সময়: ০৩:৩২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

পটুয়াখালী-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অবঃ) আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেছেন, “একটি সুষ্ঠ, সুন্দর,নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে হলে নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন, পুলিশ নিরপেক্ষ হওয়া দরকার। কিন্তু বিগত সরকার কোন ইনিস্টিটিউটকে নিরপেক্ষ রাখে নাই। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব ইনিস্টিটিউশনগুলো ধ্বংস করে দিয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আগামী নির্বাচন যাতে না হয় বা বানচাল হয়ে যায় সেজন্য একটা সিরিয়াস দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্র চলতেছে। এ ষড়যন্ত্রের জন্য নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক জোট হয়ে বার বার ভেঙ্গে যাচ্ছে। যারা দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্র করছে তাদের লক্ষ হচ্ছে কোন দল থেকে তারা বেশি সুবিধা পাবে। সেজন্য নির্বাচনী জোটের ভাঙ্গা গড়া চলছে।”

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বেলা ১১ টায় পটুয়াখালী শহরের সুরাইয়া ভবনে আয়োজিত সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ সব কথা বলেন।

আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অনেক কারণে। তার মধ্যে একটি হলো বিগত কয়েকটি নির্বাচনে আমাদের  অংশগ্রহন করার কোন সুযোগ ছিলনা, তারপর শুনলাম নির্বাচন হইতেছে, তারপর শুনলাম নির্বাচন হয়ে গেছে, তারপর শুনলাম এমপি লিস্ট, তারপর মন্ত্রী পরিষদ, তারপর লুটপাট। দ্বিতীয় কারণ বর্তমান ইউনুস সাহেবের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধির হাতে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়ে ওনারা সরে দাড়াতে চান। এদেশের রাজনীতিবিদ যারা তারাও চায়। জনগনও তাই চায়”। 

তিনি বলেন. “তারেক রহমানের বড় ক্যারিশমা হচ্ছে বিশাল জনসংখ্যার দেশটির এত বড় একটি বিশাল দলকে আট হাজার মাইল দূরে থেকে ভার্চুয়াল রিমোর্ট কন্টোল দিয়ে চালানো এবং ধরে রাখতে পেরেছেন। এটা এক অভূতপূর্ব ঐতিহাসিক কাহিনী”।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমরা প্রতিশ্রুতিতে নয়, কাজে বিশ্বাসী। নির্বাচনের পূর্বে কোন দান অনুদান করা যাবে না। তবে জনসংখ্যার অর্ধেক নারীদের জন্য এবং তরুনদের জন্য আমাদের অনেক পরিকল্পনা আছে। সাংবাদিকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা হবে।কোন বেআইনী কিছু করা হবে না”।

মতবিনিময় সভায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক মাকসুদ আহমেদ বায়েজিদ পান্না, সমন্বয়ক এ্যাডভোকেট ওয়াহিদ সরোয়ার কালাম, এ্যাডভোকেট তৌফিক আলী খান কবির ও প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট এ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।