১২:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পটুয়াখালীতে বসত ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার, এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য

সুনিল সরকার, পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর মহিপুরে একটি বসত ঘর থেকে স্বামী সিরাজউদ্দিন খান (৭৫) ও তার স্ত্রী আকলিমা বেগমের (৬৫) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকাল দশটার দিকে ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের পেয়ারপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত আকলিমা সিরাজউদ্দিনের তৃতীয় স্ত্রী ছিলেন। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিরাজউদ্দিনের বাড়ি পাশ্ববর্তী মোয়াজ্জেমপুর গ্রামে হলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে পেয়ারপুর গ্রাম সংলগ্ন আন্ধারমানিক নদীর খেয়া (নৌকা) চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। সেখানেই নদীর তীরে একটি ঝুঁপড়ি ঘরে আকলিমাকে নিয়ে বসবাস করতেন তিনি। প্রতিদিনের ন্যায় তিনি ফজরের নামাজে না যাওয়ায় স্থানীয়রা ভোর ৬ টার দিকে তার বাড়িতে খোজ খবর নিতে যান। ঘরের সামনে গিয়ে অনেক ডাকাডাকি করার পরও কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে ভিতরে ঢুকে চৌকিতে আকলিমাকে ও নিচে সিরাজউদ্দিনের মরদেহ দেখতে পান। সিরাজউদ্দিনের গলার নিচে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কালো দাগ এবং আকলিমার শরীরেও রক্তাক্ত চিহ্ন রয়েছে বলে জানায় স্থানীয়রা।

মহিপুর থানার ওসি মাহমুদ হাসান বলেন, “ঘটনাস্থল থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে সিআইডি টিম ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। এবং লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।”

Tag:

পটুয়াখালীর দশমিনায় নিজ ছেলেকে বিক্রি করে আইফোন কিনলেন বাবা! শিশুটিকে উদ্ধারে নেমেছে পুলিশ

পটুয়াখালীতে বসত ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার, এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য

আপডেট সময়: ১১:১৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

সুনিল সরকার, পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর মহিপুরে একটি বসত ঘর থেকে স্বামী সিরাজউদ্দিন খান (৭৫) ও তার স্ত্রী আকলিমা বেগমের (৬৫) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকাল দশটার দিকে ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের পেয়ারপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত আকলিমা সিরাজউদ্দিনের তৃতীয় স্ত্রী ছিলেন। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিরাজউদ্দিনের বাড়ি পাশ্ববর্তী মোয়াজ্জেমপুর গ্রামে হলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে পেয়ারপুর গ্রাম সংলগ্ন আন্ধারমানিক নদীর খেয়া (নৌকা) চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। সেখানেই নদীর তীরে একটি ঝুঁপড়ি ঘরে আকলিমাকে নিয়ে বসবাস করতেন তিনি। প্রতিদিনের ন্যায় তিনি ফজরের নামাজে না যাওয়ায় স্থানীয়রা ভোর ৬ টার দিকে তার বাড়িতে খোজ খবর নিতে যান। ঘরের সামনে গিয়ে অনেক ডাকাডাকি করার পরও কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে ভিতরে ঢুকে চৌকিতে আকলিমাকে ও নিচে সিরাজউদ্দিনের মরদেহ দেখতে পান। সিরাজউদ্দিনের গলার নিচে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কালো দাগ এবং আকলিমার শরীরেও রক্তাক্ত চিহ্ন রয়েছে বলে জানায় স্থানীয়রা।

মহিপুর থানার ওসি মাহমুদ হাসান বলেন, “ঘটনাস্থল থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে সিআইডি টিম ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। এবং লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।”