০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারীর ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি: ডিসেম্বরের মধ্যে ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা

নারীর ক্ষমতায়ন, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের আনুমানিক ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করে অনলাইন ডেটাবেইজে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) থেকে শুরু হয়েছে এ তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম।

এ উপলক্ষে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে পটুয়াখালী সদর উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহবিষয়ক অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ আয়োজন করা হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নারীর ক্ষমতায়ন, অধিকার, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জাতীয় উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পরিবারের নারীপ্রধানের নামে ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ মার্চ ২০২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পাইলটিং কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। পাইলটিং পর্যায়ে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত দেশের আট বিভাগের ৪৪ জেলার ৫৫টি উপজেলা ও সিটি করপোরেশনের ৫৭টি ইউনিটে মোট ১ লাখ ১২ হাজার ৯৪টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। প্রক্সি মিনস টেস্ট (পিএমটি) স্কোরের ভিত্তিতে নির্বাচিত ৭১ হাজার ৮৩১ জন যোগ্য উপকারভোগীকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা দেওয়া হয়েছে।

এ পর্যায়ে বরাদ্দ করা ৮৬ কোটি ৬০ লাখ টাকার বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৬৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৫৭ কোটি ২০ লাখ টাকা ভাতা হিসেবে প্রদান করা হয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ২০২৬ সালের জুলাই থেকে কর্মসূচির মূল বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এ কর্মসূচির জন্য ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ভাতা প্রদানের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হালনাগাদ প্রক্সি মিনস টেস্ট (পিএমটি) পদ্ধতিতে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা বিবেচনায় পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। শ্রেণিগুলো হলো—অতিদরিদ্র, দরিদ্র, ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত।

পিএমটি স্কোর অনুযায়ী, ৮৬০ বা তার কম স্কোর পাওয়া নারী পরিবারপ্রধান ভাতা পাওয়ার যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন। সব নারী পরিবারপ্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও ভাতা পাবেন প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণিভুক্ত বা নির্ধারিত স্কোরের ভিত্তিতে যোগ্য বিবেচিত পরিবারের নারীপ্রধানেরা।

দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৬৬ হাজার ৮১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ৬ হাজার ৬৮১ জন সুপারভাইজার নিয়োগ করা হয়েছে। এ কাজে নিয়োজিত কর্মীদের প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণও সম্পন্ন হয়েছে।

বিশেষায়িত ট্যাবলেট ডিভাইস ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরেজমিনে পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করবেন। পরে মোবাইল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্য সরাসরি অনলাইন ডেটাবেইজে যুক্ত করা হবে।

কার্যক্রমটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য মোবাইল সিমকার্ড সংগ্রহ, নেটওয়ার্কভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কর্মী ব্যবস্থাপনা এবং নেটওয়ার্ক অপারেশন সেন্টার (এনওসি) স্থাপনসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে আনুমানিক ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ ও ডেটাবেইজে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পরবর্তী সময়ে পিএমটি পদ্ধতিতে সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ করে যোগ্য উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে।

চলতি অর্থবছরে নতুন করে ৪০ লাখ নারী পরিবারপ্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে পরবর্তী তিন অর্থবছরে যোগ্য সব নারী পরিবারপ্রধানকে এ কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

উপকারভোগীদের জন্য তৈরি ফ্যামিলি কার্ডে ডুয়াল চিপ, কিউআর কোড ও নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন (এনএফসি) প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। কার্ডটি সরকারের অর্থ পরিশোধ ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। এর মাধ্যমে উপকারভোগীরা ব্যাংকের এটিএম বুথ, বিপণিবিতানের পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের (এমএফএস) মাধ্যমে ভাতার অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন।

প্রেস কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক এস এম ফজলুল করিম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু মুছা, পটুয়াখালী শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান, সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

Tag:
জনপ্রিয়

সেনসোডাইন টুথপেষ্ট এর জনপ্রিয়তা ও সাফল্য নিয়ে পটুয়াখালীতে হেলিয়ন বাংলাদেশ লিঃ এর সভা অনুষ্ঠিত

নারীর ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি: ডিসেম্বরের মধ্যে ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা

আপডেট সময়: ০৬:১৬:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

নারীর ক্ষমতায়ন, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের আনুমানিক ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করে অনলাইন ডেটাবেইজে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) থেকে শুরু হয়েছে এ তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম।

এ উপলক্ষে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে পটুয়াখালী সদর উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহবিষয়ক অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ আয়োজন করা হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নারীর ক্ষমতায়ন, অধিকার, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জাতীয় উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পরিবারের নারীপ্রধানের নামে ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ মার্চ ২০২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পাইলটিং কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। পাইলটিং পর্যায়ে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত দেশের আট বিভাগের ৪৪ জেলার ৫৫টি উপজেলা ও সিটি করপোরেশনের ৫৭টি ইউনিটে মোট ১ লাখ ১২ হাজার ৯৪টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। প্রক্সি মিনস টেস্ট (পিএমটি) স্কোরের ভিত্তিতে নির্বাচিত ৭১ হাজার ৮৩১ জন যোগ্য উপকারভোগীকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা দেওয়া হয়েছে।

এ পর্যায়ে বরাদ্দ করা ৮৬ কোটি ৬০ লাখ টাকার বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৬৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৫৭ কোটি ২০ লাখ টাকা ভাতা হিসেবে প্রদান করা হয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ২০২৬ সালের জুলাই থেকে কর্মসূচির মূল বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এ কর্মসূচির জন্য ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ভাতা প্রদানের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হালনাগাদ প্রক্সি মিনস টেস্ট (পিএমটি) পদ্ধতিতে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা বিবেচনায় পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। শ্রেণিগুলো হলো—অতিদরিদ্র, দরিদ্র, ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত।

পিএমটি স্কোর অনুযায়ী, ৮৬০ বা তার কম স্কোর পাওয়া নারী পরিবারপ্রধান ভাতা পাওয়ার যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন। সব নারী পরিবারপ্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও ভাতা পাবেন প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণিভুক্ত বা নির্ধারিত স্কোরের ভিত্তিতে যোগ্য বিবেচিত পরিবারের নারীপ্রধানেরা।

দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৬৬ হাজার ৮১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ৬ হাজার ৬৮১ জন সুপারভাইজার নিয়োগ করা হয়েছে। এ কাজে নিয়োজিত কর্মীদের প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণও সম্পন্ন হয়েছে।

বিশেষায়িত ট্যাবলেট ডিভাইস ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরেজমিনে পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করবেন। পরে মোবাইল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্য সরাসরি অনলাইন ডেটাবেইজে যুক্ত করা হবে।

কার্যক্রমটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য মোবাইল সিমকার্ড সংগ্রহ, নেটওয়ার্কভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কর্মী ব্যবস্থাপনা এবং নেটওয়ার্ক অপারেশন সেন্টার (এনওসি) স্থাপনসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে আনুমানিক ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ ও ডেটাবেইজে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পরবর্তী সময়ে পিএমটি পদ্ধতিতে সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ করে যোগ্য উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে।

চলতি অর্থবছরে নতুন করে ৪০ লাখ নারী পরিবারপ্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে পরবর্তী তিন অর্থবছরে যোগ্য সব নারী পরিবারপ্রধানকে এ কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

উপকারভোগীদের জন্য তৈরি ফ্যামিলি কার্ডে ডুয়াল চিপ, কিউআর কোড ও নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন (এনএফসি) প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। কার্ডটি সরকারের অর্থ পরিশোধ ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। এর মাধ্যমে উপকারভোগীরা ব্যাংকের এটিএম বুথ, বিপণিবিতানের পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের (এমএফএস) মাধ্যমে ভাতার অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন।

প্রেস কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক এস এম ফজলুল করিম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু মুছা, পটুয়াখালী শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান, সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও গণমাধ্যমকর্মীরা।