আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১৩ পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন এর বিরুদ্ধে একই আসনের প্রার্থী শহিদুল ইসলাম ফাহিম কর্তৃক জেলা রিটার্নিং অফিসার এর কাছে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরনবিধি, ২০০৮-এর ধারা লঙ্ঘনের দ্রুত আইনানুগ ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহনের আবেদনের প্রেক্ষিতে, তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন পত্র প্রাপ্তির দুই দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছেন পটুয়াখালী জেলা রিটার্নিং অফিসার। যার স্মারক নং- ০৫.১০.৭৮০০.০০৬.১৮.২৩২.২৫, তারিখ: ১৮.০১.২৬ইং।
রিটার্নিং অফিসার বরাবরে পটুয়াখালী-৩ আসনের প্রার্থী শহিদুল ইসলাম ফাহিম অভিযোগে বলেছেন, ১১৩ পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন ও তার সমর্থক অনসারীরা প্রকাশ্যে ও ধারাবাহিকভাবে নির্বাচন সংক্রান্ত প্রচলিত আইন ও আচরনবিধি লঙ্ঘন করে সাধারণ ভোটারদেরকে ধর্মগ্রন্থকে স্বাক্ষী রেখে শপথ গ্রহনে বাধ্য করছে। একই ধরনের ৫ ও ৬ ধারা ৭ (ধর্মীয় অনুভুতি ব্যবহার ও ভোটার প্রভাবিতকরন নিষিদ্ধ) এর সুস্পস্ট লঙ্ঘন। একই সাথে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর ধারা ৭৩ ও ৭৯ অনুযায়ী অসদাচরন ও অবৈধ প্রভাব বিস্তারের শামিল, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। প্রার্থী হাসান মামুন নিজে বিভিন্ন সভা, সমাবেশ ও প্রকাশ্য স্থানে উস্কানিমূলক ও উত্তেজনাকর বক্তব্য প্রদান করছেন এবং প্রকাশ্যে নির্বাচনী ফলাফল পূর্বনির্ধারিত বলে মন্তব্য করছেন- কে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় বা চতুর্থ হবে তা ঘোষনা করছেন। এই ধরনের বক্তব্য নির্বাচন আচরনবিধি, ২০০৮ এর ধারা ১৮( শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী বক্তব্য নিষিদ্ধ) এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২-এর ধারা ৯০ বি অনুযায়ী নির্বাচনী অপরাধ হিসেবে গণ্য। এ কর্মকান্ডের ফলে নির্বাচনী এলাকায় চরম উত্তেজনা, বিভ্রান্ত ও ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে যে কোন সময় সহিংস সংঘাত, রক্তক্ষয় এবং জানমালের অপূরনীয় ক্ষতির আশঙ্কা করছেন অভিযোগকারী উক্ত আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী শহিদুল ইসলাম ফাহিম।
এছাড়া রিটার্নিং অফিসের চিঠিতে অভিযোগকারি স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের আচরনবিধি লংঘনের ভিডিও চিত্র পেনড্রাইভে সংরক্ষিত ভিডিওর ফ্যাক্ট চেকিং করার জন্য জেলা আইসিটি অফিসারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পটুয়াখালী-৩ আসনের গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারি রিটার্নিং অফিসার মাহমুদুল হাসান বলেন, “জেলা রিটার্নিং অফিস কার্যালয়ের চিঠি পেয়েছি, তদন্তকাজ চলছে।”
জালাল আহমেদ: 









