০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পটুয়াখালীতে বিএনপির প্রার্থী আলতাফ চৌধুরী গ্রুপের সংবাদ সম্মেলন

পটুয়াখালীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে পটুয়াখালী-১ আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর প্রধান নির্বাচন সমন্বয়কারী ও জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদ পান্না মিয়া। 

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় সুরাইয়া ভবনে এ সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। 

লিখিত বক্তব্যে মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদ পান্না মিয়া বলেন, ‘আলতাফ হোসেন চৌধুরী বিতর্কিত ব্যক্তিদের নিয়ে রাজনীতি করছেন না। বরং তারা নিজেরাই বিতর্কিত।” কুট্টি সরকার ও মোশতাক আহমেদ পিনুকে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ১৯৯৭ সালে পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনে কারা মুজিব কোর্ট পড়ে পৌর মেয়র হয়েছিলেন? কারা সুযোগ সন্ধানী এবং কারা দফায় দফায় দল বদল করেছেন? আর আপনারাই বলছেন আমরা বিতর্কিত? প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দলে ছিলাম, আছি এবং আগামীতেও থাকবো’। 

তিনি আরও বলেন, ‘হাসিনার পতন আন্দোলনের তিব্রতা সৃষ্টি হলেই পারিবারিক অজুহাত দেখিয়ে কারা পটুয়াখালী ছেড়ে ভারতে এবং কানাডায় চলে যেতেন? তা সবই পটুয়াখালীবাসী জানেন’। তিনি বলেন, “আলতাফ চৌধুরী দলের কাউকে অবমূল্যায়ন করেননি।”

বিএনপির আলতাফ চৌধুরী গ্রুপের সংবাদ সম্মেলন প্রধান সমন্বয়কারী পান্না মিয়া বলেন, ‘আলতাফ চৌধুরী দলের কাউকে অবমূল্যায়ন করেননি বরং জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান টোটন ও মোশতাক আহমেদ পিনুর সঙ্গে দেখা এবং নির্বাচন নিয়ে কথা বলতে গত ৪ নভেম্বর কুট্টি সরকারের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে যান। কিন্তু সেদিন তারা আলতাফ চৌধুরীকে অসম্মান করেছিলেন এবং তাঁদের অভ্যন্তরীণ সভা চলছে বলে বার বার মাইকে চলে যাবার জন্য বলা হচ্ছিল। মিথ্যাচার, অসত্য, বানোয়াট, বিভ্রান্তমূলক এবং দলীয় সিদ্ধান্ত পরিপন্থী বক্তব্য দেওয়ার কারণে ২০০৪ সালে স্নেহাংশু সরকার কুট্টিকে দলের সাধারণ সম্পাদক পদসহ প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে বহিস্কার করা হয়েছিল। 

এ সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আলতাফ হোসেন চৌধুরীর সহকারী প্রধান নির্বাচন সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট তৌফিক আলী খান কবির, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট এটিএম মোজাম্মেল হোসেন তপন, বর্তমান জেলা বারের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শরীফ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. মহসীন, জেলা মহিলা দলের সাবেক সভানেত্রী অধ্যাপিকা লায়লা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদিকা জেসমিন আক্তার ও জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান রুমীসহ দলের বিভিন্ন স্তরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

Tag:

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সেইভ করুন:

আমাদের সম্পর্কে জানুন:

South BD News 24

South BD News 24 is committed to publish the daily news of South Bengal based on authenticity, honesty and courage...
জনপ্রিয়

জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ উপলক্ষে পটুয়াখালীর টাউন বহালগাছিয়া সঃ প্রাঃ স্কুলে চিত্রাংকন ও স্কুল ফিডিং অনুষ্ঠিত 

error: Content is protected !!

পটুয়াখালীতে বিএনপির প্রার্থী আলতাফ চৌধুরী গ্রুপের সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময়: ০১:০৭:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

পটুয়াখালীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে পটুয়াখালী-১ আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর প্রধান নির্বাচন সমন্বয়কারী ও জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদ পান্না মিয়া। 

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় সুরাইয়া ভবনে এ সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। 

লিখিত বক্তব্যে মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদ পান্না মিয়া বলেন, ‘আলতাফ হোসেন চৌধুরী বিতর্কিত ব্যক্তিদের নিয়ে রাজনীতি করছেন না। বরং তারা নিজেরাই বিতর্কিত।” কুট্টি সরকার ও মোশতাক আহমেদ পিনুকে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ১৯৯৭ সালে পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনে কারা মুজিব কোর্ট পড়ে পৌর মেয়র হয়েছিলেন? কারা সুযোগ সন্ধানী এবং কারা দফায় দফায় দল বদল করেছেন? আর আপনারাই বলছেন আমরা বিতর্কিত? প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দলে ছিলাম, আছি এবং আগামীতেও থাকবো’। 

তিনি আরও বলেন, ‘হাসিনার পতন আন্দোলনের তিব্রতা সৃষ্টি হলেই পারিবারিক অজুহাত দেখিয়ে কারা পটুয়াখালী ছেড়ে ভারতে এবং কানাডায় চলে যেতেন? তা সবই পটুয়াখালীবাসী জানেন’। তিনি বলেন, “আলতাফ চৌধুরী দলের কাউকে অবমূল্যায়ন করেননি।”

বিএনপির আলতাফ চৌধুরী গ্রুপের সংবাদ সম্মেলন প্রধান সমন্বয়কারী পান্না মিয়া বলেন, ‘আলতাফ চৌধুরী দলের কাউকে অবমূল্যায়ন করেননি বরং জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান টোটন ও মোশতাক আহমেদ পিনুর সঙ্গে দেখা এবং নির্বাচন নিয়ে কথা বলতে গত ৪ নভেম্বর কুট্টি সরকারের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে যান। কিন্তু সেদিন তারা আলতাফ চৌধুরীকে অসম্মান করেছিলেন এবং তাঁদের অভ্যন্তরীণ সভা চলছে বলে বার বার মাইকে চলে যাবার জন্য বলা হচ্ছিল। মিথ্যাচার, অসত্য, বানোয়াট, বিভ্রান্তমূলক এবং দলীয় সিদ্ধান্ত পরিপন্থী বক্তব্য দেওয়ার কারণে ২০০৪ সালে স্নেহাংশু সরকার কুট্টিকে দলের সাধারণ সম্পাদক পদসহ প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে বহিস্কার করা হয়েছিল। 

এ সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আলতাফ হোসেন চৌধুরীর সহকারী প্রধান নির্বাচন সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট তৌফিক আলী খান কবির, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট এটিএম মোজাম্মেল হোসেন তপন, বর্তমান জেলা বারের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শরীফ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. মহসীন, জেলা মহিলা দলের সাবেক সভানেত্রী অধ্যাপিকা লায়লা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদিকা জেসমিন আক্তার ও জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান রুমীসহ দলের বিভিন্ন স্তরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।