০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পটুয়াখালীর বদরপুরসহ ২৭টি গ্রামে ঈদুল ফিতর পালিত

জালাল আহমেদ, প্রধান প্রতিবেদকঃ সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সাথে মিল রেখে পটুয়াখালীর ২৭টি গ্রামে ২০ সহাস্রাধিক মানুষ পবিত্র ঈদুল ফিতর পালন করছে।

রবিবার সকাল ৯ টায় পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের বদরপুর দরবার শরীফ জামে মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠত হয়। এই গ্রামের প্রায় ৩শ মানুষ একজামাতে ঈদের নামাজ আদায় করেন। বদরপুর দরবার শরীফের সেঝ পীর সাহেব আরিফ বিল্লাহ রব্বানী নামাজ খুদবাহ ও মোনাজাত পরিচালনা করেন।

দরবার শরীফের ইমাম মাওলানা মো. শফিকুল ইসলাম গনি বলেন, বিশ্বের যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা গেলে রোজা রাখা ফরয ও ঈদ পালন ওয়াজিব তাই ১৯২৮সন থেকে এখানকার গ্রামবাসীরা একদিন আগে থেকে রোজা রাখা শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় একদিন আগে তারা ঈদ উদযাপন করে।

পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার সেনের হাওলা, পশুরী বুনিয়া, নিজ হাওলা, কানকুনি পারা, মৌডুবি, বাউফল উপজেলার মদনপুরা, রাজনগর, বগা, ধাউরাভাঙ্গা, সুরদি, চন্দ্রপাড়া, দ্বিপাশা, শাপলা খালী, কনকদিয়া, আমিরাবাদ, কলাপাড়া উপজেলার নিশানবাড়িয়া, ইটবাড়ীয়া, শহরের নাঈয়া পট্টি, টিয়াখালী, তেগাছিয়া, দক্ষিন দেবপুরসহ জেলার ২৭টি স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এরা সবাই হানিফি মাজহাব কাদেরিয়া তরিকা ভক্ত। এদের বর্তমান পীর চট্রগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার হযরত শাহসুফি মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মমতাজ আলী।

Tag:
জনপ্রিয়

গলাচিপায় বিদ্যালয়ের সামনে পুকুরে পড়ল ফুচকা ও ঝালমুড়ি বিক্রির গাড়ি, অল্পের জন্য রক্ষা পেল পাঁচ শিশুশিক্ষার্থী

পটুয়াখালীর বদরপুরসহ ২৭টি গ্রামে ঈদুল ফিতর পালিত

আপডেট সময়: ০৯:১৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ মার্চ ২০২৫

জালাল আহমেদ, প্রধান প্রতিবেদকঃ সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সাথে মিল রেখে পটুয়াখালীর ২৭টি গ্রামে ২০ সহাস্রাধিক মানুষ পবিত্র ঈদুল ফিতর পালন করছে।

রবিবার সকাল ৯ টায় পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের বদরপুর দরবার শরীফ জামে মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠত হয়। এই গ্রামের প্রায় ৩শ মানুষ একজামাতে ঈদের নামাজ আদায় করেন। বদরপুর দরবার শরীফের সেঝ পীর সাহেব আরিফ বিল্লাহ রব্বানী নামাজ খুদবাহ ও মোনাজাত পরিচালনা করেন।

দরবার শরীফের ইমাম মাওলানা মো. শফিকুল ইসলাম গনি বলেন, বিশ্বের যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা গেলে রোজা রাখা ফরয ও ঈদ পালন ওয়াজিব তাই ১৯২৮সন থেকে এখানকার গ্রামবাসীরা একদিন আগে থেকে রোজা রাখা শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় একদিন আগে তারা ঈদ উদযাপন করে।

পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার সেনের হাওলা, পশুরী বুনিয়া, নিজ হাওলা, কানকুনি পারা, মৌডুবি, বাউফল উপজেলার মদনপুরা, রাজনগর, বগা, ধাউরাভাঙ্গা, সুরদি, চন্দ্রপাড়া, দ্বিপাশা, শাপলা খালী, কনকদিয়া, আমিরাবাদ, কলাপাড়া উপজেলার নিশানবাড়িয়া, ইটবাড়ীয়া, শহরের নাঈয়া পট্টি, টিয়াখালী, তেগাছিয়া, দক্ষিন দেবপুরসহ জেলার ২৭টি স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এরা সবাই হানিফি মাজহাব কাদেরিয়া তরিকা ভক্ত। এদের বর্তমান পীর চট্রগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার হযরত শাহসুফি মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মমতাজ আলী।