০৩:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুল্থানে আহত ও শহীদদের স্মরনে পটুয়াখালী প্রশাসনের স্মরনসভা

জালাল আহমেদ, প্রধান প্রতিবেদকঃ ২০২৪ জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুল্থানে আহত ও শহীদদের স্মরনে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্মরন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৩০ নভেম্বর শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে সিভিল সার্জন ডাঃ এস এম কবির হাসান এর সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তারক হাওলাদারের উপস্থাপনায় জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুল্থানে আহত ও শহীদদের স্মরনে জেলা প্রশাসন আয়োজিত স্মরন সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন। বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমাদ মাইনুল হাসান, জেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব আব্দুর রশিদ চুন্নু মিয়া, জেলা গণ অধিকার পরিষদের আহবায়ক মো. নজরুল ইসলাম লিটু, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মো. মোশাররফ হোসাইন, পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি গোলাম কিবরিয়া, শহীদ হৃদয় তরুয়ার পিতা রতন তরুয়া, শহীদ সাংবাদিক মেহেদী হাসানের মাতা মাহামুদা বেগম, আহত গোলাম রাব্বী, পটুয়াখালীতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী সাগর মিয়া, মো. তোফাজ্জেল হোসেন ও মো. রিফায়েতসহ অন্যান্য আহতবৃন্দ।

এ স্মরন সভায় পটুয়াখালী জেলায় শহীদ ২৪ পরিবারসহ ১০০ জন আহত ও তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। স্মরন সভায় শহীদ পরিবারের সদস্যগনসহ আহতরা সকল হত্যাকান্ড ও আহত ঘটনার বিচার দাবী করেন।

প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন তার বক্তব্যে প্রতিটি হত্যাকান্ডের বিচার হবে নিশ্চয়তা দিয়ে বলেন, জুলাই-আগস্টে প্রতিটি গুলির বিচার হবে। শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। জুলাই-আগস্টে নিহত বীর শহীদদের আমাদের স্মরনে রাখতে হবে। জেলা পর্যায় সকল শহীদদের কবর একই ডিজাইনে কবরস্থান নির্মানে জেলা পরিষদের মাধ্যমে প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। অতিশীঘ্র তা বাস্তবায়ন হবে। শহীদদের স্মরনে রাখতে তাদের বাড়ির নিকটস্থ সড়ক শহীদদের নামে নামকরন করা হবে। আগামী প্রজন্মের জন্য নিহত পরিবারের ও আহতদের বক্তব্য একত্রিত করে বই ছাপানোর ব্যবস্থা করা হবে। জুলাই ফাউন্ডেশনের সহায়তার পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধ্যমত শহীদ পরিবার ও আহতদের সহায়তা করা হবে। ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে নানাভাবে ষড়যন্ত্র করছে। আজ শনিবার সকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ঝটিকা মিছিল করেছে। তাদেরকে চিহ্নিত করে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে। নিষিদ্ধ সংগঠনে অপতৎপরতার ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহবান জানান জেলা প্রশাসক আরেফীন।

অনুষ্ঠানে শহীদদের জন্য দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন ডিসি বাংলো জামে মসজিদের ইমাম আলহাজ্ব আশ্রাফ আলী।

Tag:

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সেইভ করুন:

আমাদের সম্পর্কে জানুন:

South BD News 24

South BD News 24 is committed to publish the daily news of South Bengal based on authenticity, honesty and courage...

সাফল্যের মুকুটে নতুন পালক: সেরা বরগুনা আইডিয়াল কলেজ

জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুল্থানে আহত ও শহীদদের স্মরনে পটুয়াখালী প্রশাসনের স্মরনসভা

আপডেট সময়: ১১:১৬:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৪

জালাল আহমেদ, প্রধান প্রতিবেদকঃ ২০২৪ জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুল্থানে আহত ও শহীদদের স্মরনে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্মরন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৩০ নভেম্বর শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে সিভিল সার্জন ডাঃ এস এম কবির হাসান এর সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তারক হাওলাদারের উপস্থাপনায় জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুল্থানে আহত ও শহীদদের স্মরনে জেলা প্রশাসন আয়োজিত স্মরন সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন। বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমাদ মাইনুল হাসান, জেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব আব্দুর রশিদ চুন্নু মিয়া, জেলা গণ অধিকার পরিষদের আহবায়ক মো. নজরুল ইসলাম লিটু, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মো. মোশাররফ হোসাইন, পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি গোলাম কিবরিয়া, শহীদ হৃদয় তরুয়ার পিতা রতন তরুয়া, শহীদ সাংবাদিক মেহেদী হাসানের মাতা মাহামুদা বেগম, আহত গোলাম রাব্বী, পটুয়াখালীতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী সাগর মিয়া, মো. তোফাজ্জেল হোসেন ও মো. রিফায়েতসহ অন্যান্য আহতবৃন্দ।

এ স্মরন সভায় পটুয়াখালী জেলায় শহীদ ২৪ পরিবারসহ ১০০ জন আহত ও তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। স্মরন সভায় শহীদ পরিবারের সদস্যগনসহ আহতরা সকল হত্যাকান্ড ও আহত ঘটনার বিচার দাবী করেন।

প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন তার বক্তব্যে প্রতিটি হত্যাকান্ডের বিচার হবে নিশ্চয়তা দিয়ে বলেন, জুলাই-আগস্টে প্রতিটি গুলির বিচার হবে। শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। জুলাই-আগস্টে নিহত বীর শহীদদের আমাদের স্মরনে রাখতে হবে। জেলা পর্যায় সকল শহীদদের কবর একই ডিজাইনে কবরস্থান নির্মানে জেলা পরিষদের মাধ্যমে প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। অতিশীঘ্র তা বাস্তবায়ন হবে। শহীদদের স্মরনে রাখতে তাদের বাড়ির নিকটস্থ সড়ক শহীদদের নামে নামকরন করা হবে। আগামী প্রজন্মের জন্য নিহত পরিবারের ও আহতদের বক্তব্য একত্রিত করে বই ছাপানোর ব্যবস্থা করা হবে। জুলাই ফাউন্ডেশনের সহায়তার পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধ্যমত শহীদ পরিবার ও আহতদের সহায়তা করা হবে। ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে নানাভাবে ষড়যন্ত্র করছে। আজ শনিবার সকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ঝটিকা মিছিল করেছে। তাদেরকে চিহ্নিত করে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে। নিষিদ্ধ সংগঠনে অপতৎপরতার ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহবান জানান জেলা প্রশাসক আরেফীন।

অনুষ্ঠানে শহীদদের জন্য দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন ডিসি বাংলো জামে মসজিদের ইমাম আলহাজ্ব আশ্রাফ আলী।