০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পটুয়াখালীতে চবি’র শিক্ষার্থী হৃদয়ের অন্তেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন, বাসায় শোকের মাতম

জালাল আহমেদ, প্রধান প্রতিবেদকঃ গুলিবিদ্ধ হওয়ার পাঁচদিন পর মারা গেলেন চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থী হৃদয় চন্দ্র তরুয়া (২২)। ১৮ জুলাই বিকেল ৩টার দিকে টিউশনি শেষে বাসায় ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫ টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

মঙ্গলবার রাত ৮ টার দিকে হৃদয়ের লাশ পটুয়াখালীর মুনসেফপাড়া বাসায় পৌছলে এক হৃদয় বিদারক ঘটনা ঘটে। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে হৃদয়ের বাবা রতন চন্দ্র তরুয়া ও মা অর্চনা রাণী তরুয়া শোকে ভেঙে পড়েছেন। তারা দুজনেই ছেলের মরদেহ আনতে ঢাকায় গিয়েছিলেন।

হৃদয়ের ভগ্নিপতি দীপক কর্মকার বলেন, হৃদয় চবি’র ইতিহাস বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিল। সে মা-বাবার একমাত্র পুত্র সন্তান। তার একমাত্র বড় বোন মিতু রাণীর বিয়ে হয়েছে অনেক আগেই। হৃদয় ১লা বৈশাখ বাড়িতে আসছিল। দুই-তিন দিন পর চট্রগ্রামে যান। ১০০ দিন পর চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী ফিরলেন লাশ হয়ে।

হৃদয় সরকারী জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় হতে এসএসসিতে ও পটুয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়ে মেধা তালিকায় উত্তীর্ণ হন। বাবা-মা ও স্বজনদের স্বপ্ন ছিল হৃদয় উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে বড় চাকুরি করে সংসারের হাল ধরবেন।

Tag:

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সেইভ করুন:

আমাদের সম্পর্কে জানুন:

South BD News 24

South BD News 24 is committed to publish the daily news of South Bengal based on authenticity, honesty and courage...

পটুয়াখালী-১ আসনে জামায়াতের নেতৃত্বে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হলেন এবি পার্টির ডাঃ ওয়াহাব মিনার

পটুয়াখালীতে চবি’র শিক্ষার্থী হৃদয়ের অন্তেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন, বাসায় শোকের মাতম

আপডেট সময়: ০৪:২৩:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪

জালাল আহমেদ, প্রধান প্রতিবেদকঃ গুলিবিদ্ধ হওয়ার পাঁচদিন পর মারা গেলেন চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থী হৃদয় চন্দ্র তরুয়া (২২)। ১৮ জুলাই বিকেল ৩টার দিকে টিউশনি শেষে বাসায় ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৫ টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

মঙ্গলবার রাত ৮ টার দিকে হৃদয়ের লাশ পটুয়াখালীর মুনসেফপাড়া বাসায় পৌছলে এক হৃদয় বিদারক ঘটনা ঘটে। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে হৃদয়ের বাবা রতন চন্দ্র তরুয়া ও মা অর্চনা রাণী তরুয়া শোকে ভেঙে পড়েছেন। তারা দুজনেই ছেলের মরদেহ আনতে ঢাকায় গিয়েছিলেন।

হৃদয়ের ভগ্নিপতি দীপক কর্মকার বলেন, হৃদয় চবি’র ইতিহাস বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিল। সে মা-বাবার একমাত্র পুত্র সন্তান। তার একমাত্র বড় বোন মিতু রাণীর বিয়ে হয়েছে অনেক আগেই। হৃদয় ১লা বৈশাখ বাড়িতে আসছিল। দুই-তিন দিন পর চট্রগ্রামে যান। ১০০ দিন পর চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী ফিরলেন লাশ হয়ে।

হৃদয় সরকারী জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় হতে এসএসসিতে ও পটুয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়ে মেধা তালিকায় উত্তীর্ণ হন। বাবা-মা ও স্বজনদের স্বপ্ন ছিল হৃদয় উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে বড় চাকুরি করে সংসারের হাল ধরবেন।