১০:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পটুখালীতে ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে চার দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা

মোঃ মেহেদী হাসান (বাচ্চু) পটুয়াখালীঃ সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসের উদ্যোগে চার দিন ব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সাম্ভাব্য প্রার্থীদের অনলাইনে নমিনেশন দাখিলে সহায়তাকারী ও সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।

রোববার (২১ এপ্রিল) জেলা নির্বাচন অফিসের কনফারেন্স রুমে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ‘নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আইসিটির ব্যবহারে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ‘অনলাইন নমিনেশন সাবমিশন সফটওয়্যার’ ব্যবহারের উপর অংশীজনদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার খান আবি শাহানুর খানের নেতৃত্বে পরিচালিত প্রশিক্ষণে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান।

এসময় বলা হয়েছে, অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিলের জন্য প্রথমে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট www.ecs.gov.bd বা সরাসরি অনলাইন নমিনেশন সাবমিশন সফটওয়্যার এর ওয়েবসাইট https://onss.ecs.gov.bd গিয়ে রেজিস্ট্রেশন লিংকে ক্লিক করে রেজিস্ট্রেশন সফলভাবে সম্পন্ন করতে হবে। এছাড়াও এই ওয়েবসাইটের ডান পাশে উপরে নমিনেশন দাখিলের পিডিএফ ও ভিডিও নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে, সময় নিয়ে সেগুলো পড়ে ও দেখে নিলে মনোনয়ন দাখিল নির্ভুল ও সহজ হবে। এসময় যে মোবাইল নাম্বার দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে, সেই মোবাইল নাম্বারে ইউজার আইডি এবং এককালীন পাসওয়ার্ড প্রেরণ করা হবে। ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড সতর্কতার সাথে সংরক্ষণ করতে হবে। পরে লগইন পেইজে প্রদত্ত ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করুন। এর পর নতুন করে পাসওয়ার্ড রিসেট করুন এবং নতুন পাসওয়ার্ডটি সংরক্ষণ করতে হবে। প্রার্থীর ড্যাশবোর্ডের বামপাশের মেনু হতে পর্যায়ক্রমে প্রার্থী মনোনয়ন, প্রার্থীর ব্যক্তিগত তথ্যাদি, প্রার্থীর হলফনামা, নির্বাচনী ব্যয়, সম্পদ ও দায়, প্রার্থীর ফাইল সংযুক্তিকরণ, জামানত এবং চূড়ান্ত দাখিল এর ধাপসমূহ সর্তকতার সম্পন্ন করতে হবে। অনলাইনে মনোনয়ন দাখিলের সময় প্রস্তাবকারী ও সমর্থনকারীকেও স্ব শরীরের প্রার্থীর কাছে থাকতে হবে। কারণ, তাদের সরাসরি তোলা ছবি অনলাইনে মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয়পত্রের সার্ভারের সঙ্গে যাচাই করা হবে। এর আগে, প্রার্থীর ৩০০×৩০০ মেগা পিক্সেলের ছবি ও জাতীয় পরিচয় পত্র সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র স্ক্যান করে পূর্বেই কম্পিউটার বা ল্যাপটপে স্ক্যান ও রিনেইম করে রাখতে হবে। মনোনয়ন দাখিলে শেষ দিনের অন্তত দুই দিন পূর্বেই অনলাইনে মনোনয়ন সাবমিট করলে, যেকোন বিড়ম্বনা ও ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হবে। না হয় শেষ দিন মনোনয়ন দাখিল করতে সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হতে পারে। সঠিকভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করা হলে মোবাইলে বার্তার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে। প্রার্থীর মনোয়নপত্র দাখিলের পর, যাচাই-বাছাইয়ের প্রতিটি স্ট্যাটাস মোবাইলে বার্তার মাধ্যমে প্রার্থীকে জানানো হবে এবং কমিশন বা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র প্রদান করা হবে।

এবার অনলাইনে মনোনয়ন দাখিলের পর কোন প্রার্থীকে রিটার্নিং অফিসারের কাছে সরাসরি স্ব-শরীরে উপস্থিত হতে হবে না। এতে আইনশৃঙ্খলার উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয় হ্রাস এবং আচরণ বিধি প্রতিপালন হবে। তবে যাচাই বাছাইয়ের দিন প্রার্থী বা তার প্রতিনিধির উপস্থিত থাকতে হবে।

Tag:

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সেইভ করুন:

আমাদের সম্পর্কে জানুন:

South BD News 24

South BD News 24 is committed to publish the daily news of South Bengal based on authenticity, honesty and courage...
জনপ্রিয়

রমজানে নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে র‍্যাব সহ তিন দপ্তরের সমন্বয়ে পটুয়াখালীতে যৌথ অভিযান পরিচালিত ও জরিমানা আদায়

পটুখালীতে ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে চার দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা

আপডেট সময়: ১২:২৪:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪

মোঃ মেহেদী হাসান (বাচ্চু) পটুয়াখালীঃ সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসের উদ্যোগে চার দিন ব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সাম্ভাব্য প্রার্থীদের অনলাইনে নমিনেশন দাখিলে সহায়তাকারী ও সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।

রোববার (২১ এপ্রিল) জেলা নির্বাচন অফিসের কনফারেন্স রুমে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ‘নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আইসিটির ব্যবহারে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ‘অনলাইন নমিনেশন সাবমিশন সফটওয়্যার’ ব্যবহারের উপর অংশীজনদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার খান আবি শাহানুর খানের নেতৃত্বে পরিচালিত প্রশিক্ষণে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান।

এসময় বলা হয়েছে, অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিলের জন্য প্রথমে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট www.ecs.gov.bd বা সরাসরি অনলাইন নমিনেশন সাবমিশন সফটওয়্যার এর ওয়েবসাইট https://onss.ecs.gov.bd গিয়ে রেজিস্ট্রেশন লিংকে ক্লিক করে রেজিস্ট্রেশন সফলভাবে সম্পন্ন করতে হবে। এছাড়াও এই ওয়েবসাইটের ডান পাশে উপরে নমিনেশন দাখিলের পিডিএফ ও ভিডিও নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে, সময় নিয়ে সেগুলো পড়ে ও দেখে নিলে মনোনয়ন দাখিল নির্ভুল ও সহজ হবে। এসময় যে মোবাইল নাম্বার দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে, সেই মোবাইল নাম্বারে ইউজার আইডি এবং এককালীন পাসওয়ার্ড প্রেরণ করা হবে। ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড সতর্কতার সাথে সংরক্ষণ করতে হবে। পরে লগইন পেইজে প্রদত্ত ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করুন। এর পর নতুন করে পাসওয়ার্ড রিসেট করুন এবং নতুন পাসওয়ার্ডটি সংরক্ষণ করতে হবে। প্রার্থীর ড্যাশবোর্ডের বামপাশের মেনু হতে পর্যায়ক্রমে প্রার্থী মনোনয়ন, প্রার্থীর ব্যক্তিগত তথ্যাদি, প্রার্থীর হলফনামা, নির্বাচনী ব্যয়, সম্পদ ও দায়, প্রার্থীর ফাইল সংযুক্তিকরণ, জামানত এবং চূড়ান্ত দাখিল এর ধাপসমূহ সর্তকতার সম্পন্ন করতে হবে। অনলাইনে মনোনয়ন দাখিলের সময় প্রস্তাবকারী ও সমর্থনকারীকেও স্ব শরীরের প্রার্থীর কাছে থাকতে হবে। কারণ, তাদের সরাসরি তোলা ছবি অনলাইনে মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয়পত্রের সার্ভারের সঙ্গে যাচাই করা হবে। এর আগে, প্রার্থীর ৩০০×৩০০ মেগা পিক্সেলের ছবি ও জাতীয় পরিচয় পত্র সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র স্ক্যান করে পূর্বেই কম্পিউটার বা ল্যাপটপে স্ক্যান ও রিনেইম করে রাখতে হবে। মনোনয়ন দাখিলে শেষ দিনের অন্তত দুই দিন পূর্বেই অনলাইনে মনোনয়ন সাবমিট করলে, যেকোন বিড়ম্বনা ও ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হবে। না হয় শেষ দিন মনোনয়ন দাখিল করতে সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হতে পারে। সঠিকভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করা হলে মোবাইলে বার্তার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে। প্রার্থীর মনোয়নপত্র দাখিলের পর, যাচাই-বাছাইয়ের প্রতিটি স্ট্যাটাস মোবাইলে বার্তার মাধ্যমে প্রার্থীকে জানানো হবে এবং কমিশন বা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র প্রদান করা হবে।

এবার অনলাইনে মনোনয়ন দাখিলের পর কোন প্রার্থীকে রিটার্নিং অফিসারের কাছে সরাসরি স্ব-শরীরে উপস্থিত হতে হবে না। এতে আইনশৃঙ্খলার উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয় হ্রাস এবং আচরণ বিধি প্রতিপালন হবে। তবে যাচাই বাছাইয়ের দিন প্রার্থী বা তার প্রতিনিধির উপস্থিত থাকতে হবে।