পটুয়াখালী সদর উপজেলার জৈনকাঠী ইউনিয়নের চরজৈনকাঠী এলাকায় গোরস্তানের জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ফিরোজ হাওলাদারসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চরজৈনকাঠী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, গোরস্তানের জমির মালিকানা ও ব্যবহার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে ফিরোজ হাওলাদারের সৎ ভাই ছরোয়ার, কবির, সান্ত, নাঈম ও হাসিনাসহ কয়েকজনের সঙ্গে তাদের বিরোধের সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে ফিরোজ হাওলাদারসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন।

ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাদের ভর্তি করে চিকিৎসা দেন।

এদিকে, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী। বিষয়টি নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় যোগাযোগ করা হলে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান (মনির) জানান, ভুক্তভোগী থানায় এসেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে, অভিযোগে নাম আসা ব্যক্তিদের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে পরবর্তীতে তা প্রকাশ করা হবে।

ঘটনাটি তদন্তসাপেক্ষ। পুলিশের তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্যের ভিত্তিতেই হামলার প্রকৃত কারণ এবং দায়ীদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।