পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের গাজীর খাল এলাকায় লাল শাকের খেত থেকে গাঁজা গাছ উদ্ধারের ঘটনায় দুই চাষিকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

তবে আটক দুই চাষির দাবি, এ ঘটনার সঙ্গে তাঁদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তাঁরা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। তাঁদের ভাষ্য, নিজেদের চাষের জমিতে গাঁজা গাছ থাকার বিষয়টি সম্পর্কে তাঁরা কিছুই জানতেন না। স্থানীয় কয়েকজনের ধারণা, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তাঁদের ফাঁসানো হয়ে থাকতে পারে। তবে এ অভিযোগের পক্ষে এখন পর্যন্ত স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চরমোন্তাজের গাজীর খাল এলাকার একটি লাল শাকের খেতে গাঁজা গাছের সন্ধান পাওয়ার পর বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। পরে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই চাষিকে আটক করে পুলিশ। তবে খেতের মধ্যে গাছগুলো কীভাবে এল, কারা সেগুলো রোপণ করেছে এবং আটক ব্যক্তিদের সঙ্গে এর কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাঁদের মতে, গাঁজা গাছগুলো পরিকল্পিতভাবে সেখানে রোপণ করা হয়েছিল কি না, নাকি এর পেছনে ব্যক্তিগত বিরোধ কিংবা অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

এদিকে, আটক দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ কী, তাঁদের বিরুদ্ধে কী ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং এ ঘটনায় পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি কতটুকু—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে গাঁজা গাছের উৎস এবং এর সঙ্গে প্রকৃতপক্ষে কারা জড়িত, তা শনাক্ত করা হোক। একই সঙ্গে নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, সেটিও নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।