গোপালগঞ্জ শহরের তেঘরিয়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসা থেকে শেফালী বেগম (৪০) নামে এক নারীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে তেঘরিয়া কালীমন্দিরের পাশের মিলন খানের ভাড়া বাড়ি থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

গোপালগঞ্জ সদর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ওই বাড়ির একটি কক্ষের দরজা ভেঙে মরদেহটি উদ্ধার করেন। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ওই নারী কয়েক দিন আগেই মারা গেছেন।

গোপালগঞ্জ সদর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) নাইম হায়দার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শেফালী বেগম তাঁর ছেলে সিয়াম মিয়া (১৯) ও ছেলের স্ত্রীর সঙ্গে ওই বাসায় বসবাস করতেন। কয়েক দিন আগে ছেলের স্ত্রী বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান। শনিবার ফিরে এসে ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হতে দেখে তিনি প্রতিবেশীদের জানান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে জানা গেছে, শেফালী বেগমের স্বামী শাহীন মিয়ার সঙ্গে প্রায় ছয় থেকে সাত মাস আগে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তাঁদের আরও দাবি, গত ছয় মাস ধরে শেফালীর মানসিক অবস্থার অবনতি হয়েছিল।

পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জের মর্গে পাঠিয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।