বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের পুণ্য স্মৃতিময় দিন আজ ১২ রবিউল আউয়াল। সারা বিশ্বের মুসলমানরা এ দিনকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) হিসেবে পালন করেন।

হজরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন সর্বশেষ নবী ও রাসুল। তিনি পৃথিবীতে এসেছিলেন তাওহিদের মহান বাণী নিয়ে। প্রচার করেছেন শান্তির ধর্ম ইসলাম। তাঁর আবির্ভাব এবং ইসলামের শান্তির বাণীর প্রচার সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করে। সৌদি আরবের মক্কা নগরীর বিখ্যাত কুরাইশ বংশে ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দের ১২ রবিউল আউয়াল মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) জন্মগ্রহণ করেন। ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দের একই দিনে তিনি ইহলোক ত্যাগ করেন।

দিনটি উপলক্ষে পটুয়াখালী সদর উপজেলাধীন ছোটবিঘাই ইউনিয়ন এর কুমারখালী আমিনিয়া আলিম মাদ্রাসায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ আবদুস সালাম এর সভাপতিত্বে ও মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহনে ইসলামি কুইজ প্রতিযোগিতা, কবিতা আবৃত্তি এবং মক্কি-মাদানী জীবনের উপর বক্তৃতা সহ নানা আয়োজন করা হয়।

প্রতিযোগীতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয় ও দোয়া মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রী সহ কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন মাদ্রাসার আরবী প্রভাষক মোঃ জানে আলম ও সহকারী শিক্ষক ইমাম ইবনে মোক্তার।

নবুওয়াতের প্রায় ২৩ বছর ধরে বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মানুষকে সত্য ও কল্যাণের পথে আহ্বান করেন। অবশেষে ৬৩ বছর বয়সে মদিনায় তিনি ইন্তেকাল করেন। তাঁর ওফাত মুসলিম উম্মাহর জন্য ছিল এক গভীর শোকের মুহূর্ত।

তাই ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এই দিনে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, দরুদ পাঠ ও দান-খয়রাতসহ নফল ইবাদতের মধ্য দিয়ে দিনটি অতিবাহিত করেন। অনেকে এই দিনে নফল রোজা রাখেন।