পটুয়াখালী ডায়াবেটিক সমিতির আয়োজনে পটুয়াখালী ডায়াবেটিক হাসপাতালে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে বিশেষজ্ঞ স্বাস্থ্য ক্যাম্প ২৬’ এ  বিভিন্ন রোগের চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমে ৪ শতাধিক রোগীকে সেবা প্রদান করা হয়েছে বলে সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুস সালাম খান নিশ্চিত করেছেন।

দেশের প্রখ্যাত গ্যাষ্ট্রোএন্টারোলজী বিভাগের জাতীয় অধ্যাপক ডাঃ এ.কে আজাদ খান ও নিউরোমেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডাঃ কাজী দ্বীন মোহাম্মদ এর নেতৃত্বে একদল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে দুইদিন ব্যাপী  বিশেষজ্ঞ স্বাস্থ্য ক্যাম্পের শেষ দিন শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ৪ শতাধিক বিভিন্ন রোগের রোগীদের  চিকিৎসা সেবা দিতে সক্ঢম হয়েছেন। 

এ বিশেষজ্ঞ স্বাস্থ্য ক্যাম্পে চিকিৎসক হিসেবে আরও নিয়োজিত ছিলেন ঢাকা থেকে আগত ডায়াবেটোলজি এন্ড এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগে অধ্যাপক ডাঃ মোঃ ফারুক পাঠান, দন্ত বিভাগের অধ্যাপক ডাঃ অরূপরতন চৌধুরী, চর্ম ও যৌন বিভাগের অধ্যাপক ডাঃ মীর নজরুল ইসলাম, কার্ডিওলজি বিভাগে অধ্যাপক ডাঃ এম এ রশীদ, ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগে ডাঃ আবুল খায়ের জামান, নেফ্রোলজি বিভাগে ডাঃ মেহেরুবা আলম, অধ্যাপক ডাঃ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) মামুন মোস্তাফি।

এ ছাড়াও চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত ছিলেন পটুয়াখালী ডায়াবেটিক হাসপাতালের ডাঃ জয়গোপাল দাস, ডাঃ মেহনাজ হোসেন, তাঃ কাজী সাইদা নাসরিন, ডাঃ আবদুল্লাহ আল শাদিদ ও ডাঃ মাহফুজা আইরিনসহ অন্যান্যরা। 

উক্ত স্বাস্থ্য ক্যাম্পে  দেশের প্রখ্যাত গ্যাষ্ট্রোএন্টারোলজী বিভাগের জাতীয় অধ্যাপক ডাঃ এ.কে আজাদ খান ৩৫ জনকে ও নিউরোমেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডাঃ কাজী দ্বীন মোহাম্মদ ১২২ জনকে, ডায়াবেটোলজি এন্ড এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগে অধ্যাপক ডাঃ মোঃ ফারুক পাঠান ১০৮ জনকে চিকিৎসাসেবা দিয়েছেন। এ ছাড়া ফিজিক্যাল বিভাগে ২৬ জন, দন্ত বিভাগে ১১ জন, চর্ম বিভাগে ৪৫ জন, নেফ্রোলজি বিভাগে ৩৮ জন এবং কার্ডিওলজি বিভাগে ১৫ জন রোগীকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

বিকেল ৪ টায় পটুয়াখালী ডায়াবেটিক হাসপাতালের সভাপতি জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী, জাতীয় অধ্যাপক ডাঃ এ.কে আজাদ খান, নিউরোমেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডাঃ কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুস সালাম খানসহ অন্যান্য চিকিৎসকগণ ফিতা কেটে সমিতির প্রতিষ্ঠাতা অবৈতনিক সাধারণ সম্পাদক  মরহুম মোঃ জাহাঙ্গীর শিকদার এর বিশেষ অবদানের জন্য তার নামানুসারে জাহাঙ্গীর শিকদার কর্ণার উদ্বোধন করা হয়। এ সময় জাহাঙ্গীর শিকদারের ছোট ভাই সমিতির আজীবন সদস্য বাদল শিকদার উপস্থিত ছিলেন।