পটুয়াখালীতে ঈদকে সামনে রেখে পবিত্র মাহে রমজানের শেষ দিকেও ঈদ খুশীর জন্য নতুন পোশাক ও নতুন জুতাসহ পণ্য সামগ্রি কেনা কাটায় গার্মেন্টস দোকান, বিপণিবিতান ও শপিংমলগুলোতে নারী-শিশু ও কিশোরী সহ স্কুল কলেজ শিক্ষার্থী ও সাধারণ নারী ক্রেতাদের  প্রচন্ড ভীড় অব্যাহত।

আজ রোববার (১৫ মার্চ) পটুয়াখালী জেলা শহরের নিউমার্কেট, সদর রোড, পুরান বাজার, সবুজবাগ মোড় ও কাজী পাড়া রোডসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে গার্মেন্টস দোকান, জুতার দোকান ও কসমেটিকস দোকানসহ বিপণিবিতান ও শপিংমলগুলোতে  ঈদের জন্য নতুন নতুন জামা কাপড়, জুতা ও কসমেটিকস ক্রেতাদের প্রচন্ড ভীড় লক্ষ করা গেছে। বিপণিবিতান ও শপিংমলগুলোতে পরিবার নিয়ে নতুন নতুন থ্রি পিস, শাড়ি ও লুঙ্গীসহ চাহিদা মত পোষাক কিনতে দেখা গেছে। ক্রেতাদের মধ্যে নারী ও স্কুল কলেজের নারী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বেশী। 

সদর রোডের পুরাতন আদালত এলাকায় বিছমিল্লাহ মার্কেট, শাওন গার্মেন্টসহ আশপাশের দোকান ও শপিংমলগুলোতে ক্রেতারা ভীড় করছে ঈদের জামা, জুতা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী কিনতে।

শাওন গার্মেন্টসের মালিক শাহ আলম জানান, “মানুষ এখন হিসেব নিকেশ করে কেনাকাটা করছে। বাচ্চাদের পোশাক, স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া মেয়েরা থ্রি-পিস, ছেলেদের পাঞ্জাবির চাহিদা সবচেয়ে বেশী।”

পটুয়াখালীর সদর রোডস্থ পুরাতন ইসলামী ব্যাংকের নীচের মার্কেটের লোকনাথ ক্লোথ স্টোরের মালিক বিশ্বনাথ সাহা বলেন, “ঈদের আগে আগে কাস্টোমারের ভীড় আছে, বেচা- কেনাও ভাল। ঈদের রাত পর্যন্ত এ কেনা কাটা চলবে।” বড় জামে মসজিদ সংলগ্ন জুতার দোকানি জানান, “ঈদের কেনা কাটা ভাল। ঈদের বাজারে আসা ক্রেতারা জানান, “কাপড় চোপরের দাম বেশী হলেও ঈদের জন্য ছেলে মেয়েদের জন্য কিনতে হয়, কিনছি।” অনেকে বলছেন ঈদে ব্যবসায়ীরা গলাকাটা ব্যবসা করছে। দেখার বা বলার কেউ নেই।