র্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং র্যাব-০৬, সিপিএসসি, খুলনা এর যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ০২ মার্চ, ২০২৬ ইং তারিখ আনুমানিক রাত থেকে সকাল পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে পাথরঘাটা থানার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার অভিযুক্ত, বরগুনা বামনা থানার সোনাখালী বাজার বাস স্ট্যান্ড হতে ১। মোঃ জালাল (৫৫) পিতা আঃ মান্নান হাওলাদার ২। মোঃ কালু (২০) পিতা মিঠু হাওলাদার উভয় সাং মধ্য লেমুয়া থানা পাথরঘাটা জেলা বরগুনা এবং খুলনা জেলার সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকা হতে ৩। মোঃ সবুজ হাওলাদার (৩০) পিতা আঃ হাকিম হাওলাদার ৪। মোঃ মিরাজ হাওলাদার (৪০) পিতা জাহাঙ্গীর হাওলাদার উভয় সাং মধ্য লেমুয়া থানা পাথরঘাটা জেলা বরগুনাদেরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, মৃত ভিকটিম বাদীর ভাই। অভিযুক্তরা বাদীর প্রতিবেশী হওয়ায় পূর্ব হতে তাদের মধ্যে জায়গা জমি নিয়ে বিরোধ ছিলো। ঘটনার দিন অর্থাৎ গত ইং ১৩/০২/২০২৬ তারিখ ভিকটিম বাড়ীতে একা থাকার সুবাদে অভিযুক্তগণ একত্রিত হয়ে একে অন্যের সহযোগীতায় দেশীয় অস্ত্র দ্বারা ভিকটিমকে এলোপাথারি ভাবে রক্তাক্ত যখম করে ও ভিকটিমের বাম চোখ উপরে ফেলে। ভিকটিমের ডাক চিৎকারে আশ পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে অভিযুক্তগণ দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। স্থানীয়রা ভিকটিমকে উদ্ধার করে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে। এই ঘটনায় ভিকটিমের বোন বাদী হয়ে পাথরঘাটা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
উল্লেখ্য, গত ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ তারিখ দুপুরে নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই র্যাব-৮, ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। অপরাধীরা অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তাদের অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু র্যাব-৮ এর চৌকস আভিযানিক দল তাদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অভিযুক্তদেরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় ।
গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বরগুনা পাথরঘাটা থানা ও কেএমপি খুলনার সোনাডাঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান স্কোয়াড্রন লিডার রাশেদ।