০৭:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাউফলে বাল্যবিবাহ’র আয়োজনে হঠাৎ বেরসিক ইউএনও, অতপর….

এম জাফরান হারুন, বাউফল, পটুয়াখালীঃ পটুয়াখালীর বাউফলে উপজেলা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে এক বাল্যবিবাহ ঠেকানো হয়েছে। সোমবার (১৪ জুলাই) শেষ বিকেলের দিকে নওমালা ইউনিয়নের বাবুর হাট এলাকায় ১৫ বছর বয়সী ইব্রাহীমের সঙ্গে অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া মাত্র ১৩ বছর বয়সী জান্নাত আক্তারের বিয়ের আয়োজন চলছিল এমন সংবাদ পেয়ে ইউএনও উপস্থিত হয়ে বিয়েটা বাতিল করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেয়ের পরিবার (প্রাথমিকভাবে অসম্মত) থাকলেও চাপে পড়ে বিয়েতে রাজি হয়। ইউএনও আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টিম গোপনে তথ্য পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ প্রয়োগ করে অনুষ্ঠান বন্ধ করে। ছেলের পরিবারকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও লিখিতভাবে ভবিষ্যতে এমন কাজ না করার মুচলেকা দিতে বাধ্য করা হয়।

‘মেয়েটির বয়স প্রমাণিত হওয়ায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পরিবারকে সচেতন করে তাদের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা হয়েছে’ বলেছেন আমিনুল ইসলাম।

স্থানীয়রা প্রশাসনের এই সক্রিয়তাকে স্বাগত জানালেও কিছু প্রতিবাদী কণ্ঠে উঠেছে প্রশ্ন— ‘গ্রামে দারিদ্র্য ও অশিক্ষার কারণে এমন ঘটনা ঘটে। শুধু শাস্তি নয়, টেকসই সমাধান চাই’ বলেছেন এক স্কুল শিক্ষক।

Tag:
জনপ্রিয়

বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে পটুয়াখালীতে লালন সাঁইয়ের তিরোধান দিবস পালিত

বাউফলে বাল্যবিবাহ’র আয়োজনে হঠাৎ বেরসিক ইউএনও, অতপর….

আপডেট সময়: ০৩:৩৫:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

এম জাফরান হারুন, বাউফল, পটুয়াখালীঃ পটুয়াখালীর বাউফলে উপজেলা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে এক বাল্যবিবাহ ঠেকানো হয়েছে। সোমবার (১৪ জুলাই) শেষ বিকেলের দিকে নওমালা ইউনিয়নের বাবুর হাট এলাকায় ১৫ বছর বয়সী ইব্রাহীমের সঙ্গে অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া মাত্র ১৩ বছর বয়সী জান্নাত আক্তারের বিয়ের আয়োজন চলছিল এমন সংবাদ পেয়ে ইউএনও উপস্থিত হয়ে বিয়েটা বাতিল করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেয়ের পরিবার (প্রাথমিকভাবে অসম্মত) থাকলেও চাপে পড়ে বিয়েতে রাজি হয়। ইউএনও আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টিম গোপনে তথ্য পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ প্রয়োগ করে অনুষ্ঠান বন্ধ করে। ছেলের পরিবারকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও লিখিতভাবে ভবিষ্যতে এমন কাজ না করার মুচলেকা দিতে বাধ্য করা হয়।

‘মেয়েটির বয়স প্রমাণিত হওয়ায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পরিবারকে সচেতন করে তাদের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা হয়েছে’ বলেছেন আমিনুল ইসলাম।

স্থানীয়রা প্রশাসনের এই সক্রিয়তাকে স্বাগত জানালেও কিছু প্রতিবাদী কণ্ঠে উঠেছে প্রশ্ন— ‘গ্রামে দারিদ্র্য ও অশিক্ষার কারণে এমন ঘটনা ঘটে। শুধু শাস্তি নয়, টেকসই সমাধান চাই’ বলেছেন এক স্কুল শিক্ষক।