০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৭২ ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান: পটুয়াখালীর চাঞ্চল্যকর হ/ত্যা মামলার প্রধান আসামি আব্বাস এসআরবি কর্তৃক গ্রে/প্তার

পটুয়াখালী সদর থানার একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার পলাতক প্রধান আসামি মো. আব্বাসকে (২৭) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৮ ও এসআরবি-১-এর যৌথ আভিযানিক দল। ঘটনার পর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা জেলার খিলক্ষেত থানাধীন কুড়িল ফ্লাইওভার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার আব্বাস পটুয়াখালী জেলার উত্তর বাজারঘোনা এলাকার বাসিন্দা।

এসআরবি-৮-এর সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং এসআরবি-১-এর সিপিসি-১, উত্তরা, ঢাকার যৌথ দল এ অভিযান পরিচালনা করে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর পটুয়াখালী ইপিজেড মাঠে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের খেলোয়াড়দের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জেরে বিরোধ মীমাংসার কথা বলে ভুক্তভোগী আব্বাস ও তাঁর চাচাতো ভাই রুবেল সিকদারকে অভিযুক্তদের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে রুবেলকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হলেও আব্বাস নিখোঁজ থাকেন।

পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর গত ৯ অক্টোবর রাত আনুমানিক ১১টার দিকে পটুয়াখালী সদর থানাধীন পশ্চিম আউলিয়াপুর এলাকায় ইপিজেডের সামনে মহাসড়কের পাশের ঢাল থেকে আব্বাসের মরদেহ উদ্ধার করেন। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল।

এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় পলাতক প্রধান আসামি আব্বাসকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হয়।

গ্রেপ্তার মো. আব্বাসকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঢাকা জেলার এয়ারপোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন এসআরবি-৮-এর সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার রাশেদ।

Tag:
জনপ্রিয়

গলাচিপায় বিদ্যালয়ের সামনে পুকুরে পড়ল ফুচকা ও ঝালমুড়ি বিক্রির গাড়ি, অল্পের জন্য রক্ষা পেল পাঁচ শিশুশিক্ষার্থী

৭২ ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান: পটুয়াখালীর চাঞ্চল্যকর হ/ত্যা মামলার প্রধান আসামি আব্বাস এসআরবি কর্তৃক গ্রে/প্তার

আপডেট সময়: ০২:২০:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

পটুয়াখালী সদর থানার একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার পলাতক প্রধান আসামি মো. আব্বাসকে (২৭) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৮ ও এসআরবি-১-এর যৌথ আভিযানিক দল। ঘটনার পর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা জেলার খিলক্ষেত থানাধীন কুড়িল ফ্লাইওভার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার আব্বাস পটুয়াখালী জেলার উত্তর বাজারঘোনা এলাকার বাসিন্দা।

এসআরবি-৮-এর সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং এসআরবি-১-এর সিপিসি-১, উত্তরা, ঢাকার যৌথ দল এ অভিযান পরিচালনা করে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর পটুয়াখালী ইপিজেড মাঠে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের খেলোয়াড়দের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জেরে বিরোধ মীমাংসার কথা বলে ভুক্তভোগী আব্বাস ও তাঁর চাচাতো ভাই রুবেল সিকদারকে অভিযুক্তদের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে রুবেলকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হলেও আব্বাস নিখোঁজ থাকেন।

পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর গত ৯ অক্টোবর রাত আনুমানিক ১১টার দিকে পটুয়াখালী সদর থানাধীন পশ্চিম আউলিয়াপুর এলাকায় ইপিজেডের সামনে মহাসড়কের পাশের ঢাল থেকে আব্বাসের মরদেহ উদ্ধার করেন। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল।

এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় পলাতক প্রধান আসামি আব্বাসকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হয়।

গ্রেপ্তার মো. আব্বাসকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঢাকা জেলার এয়ারপোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন এসআরবি-৮-এর সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার রাশেদ।