সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা আগামী ১৬ অক্টোবর শুরু হতে যাচ্ছে। উৎসবটি সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদ্যাপন নিশ্চিত করতে পটুয়াখালী জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে চলছে নানা প্রস্তুতি। এরই ধারাবাহিকতায় পটুয়াখালী পৌর শহরের পূজামণ্ডপগুলোতে নির্বিঘ্নে দুর্গোৎসব সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন পৌর প্রশাসক মোহাম্মদ তারেক হাওলাদার।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে পটুয়াখালী পৌরসভার সম্মেলনকক্ষে দুর্গোৎসব উদ্যাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক প্রস্তুতিমূলক সভায় তিনি এ আশ্বাস দেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন পৌর প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ তারেক হাওলাদার।
সভায় বক্তব্য দেন পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুম বিল্লাহ, শহর উন্নয়ন কর্মকর্তা ভবানী শংকর, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি অতুল চন্দ্র দাস, জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট কাজল বরণ দাস ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সঞ্জয় কুমার খাসকেল।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন সবুজ সংঘ মন্দির কমিটির সভাপতি সুভাষ সাহা, সেন্টারপাড়া সমাদ্দার বাড়ি মন্দিরের সভাপতি প্রদীপ কুণ্ডু, নন্দকানাই পূজা মন্দির কমিটির সভাপতি সুমন হাওলাদার, নতুন বাজার সার্বজনীন পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি সবুজ দে ও সাধারণ সম্পাদক রথিন পাল এবং পুরান বাজার আখড়াবাড়ি মন্দির কমিটির সদস্য তপন দত্ত।
সভায় পৌর প্রশাসক মোহাম্মদ তারেক হাওলাদার বলেন, “আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে পৌরসভার পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে পৌরসভার সব বিভাগের কর্মকর্তারা আন্তরিকভাবে কাজ করছেন।”
তিনি আরও জানান, উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবা ও অন্যান্য ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পৌরসভার সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো প্রস্তুত রয়েছে।
পটুয়াখালী পৌর এলাকায় এ বছর ছয়টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা উদ্যাপিত হবে। মণ্ডপগুলো হলো—পুরান বাজার শ্রীমদনমোহন জিউর মন্দির, পুরান বাজার সবুজ সংঘ পূজামণ্ডপ, সেন্টারপাড়া হিন্দু সমাজগৃহ পূজামণ্ডপ, সমাদ্দার বাড়ি পূজামণ্ডপ, নতুন বাজার শ্রীমদনমোহন জিউর মন্দির এবং নন্দকানাই শ্রী রাধাগোবিন্দ জিউর মন্দির।
পৌর প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাসে আসন্ন দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপনের প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
জালাল আহমেদ: 











