০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আবারও কলাপাড়ায় বিদ্যালয়ে পাঠদান চলাকালে ১০ শিক্ষার্থী অসুস্থ, আতঙ্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ

শ্রেণিকক্ষে তখন চলছিল স্বাভাবিক পাঠদান। হঠাৎ এক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ার পর একে একে অসুস্থ হয়ে পড়ে আরও নয়জন। এ ঘটনায় বিদ্যালয়জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। বুধবার দুপুরে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার চাকামাইয়া ইউনিয়নের বেতমোর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে পাঠদান চলাকালে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী জাকিয়া হঠাৎ পেটব্যথা, পা ঝিঁঝি ধরা ও শ্বাসকষ্টে অসুস্থ হয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ পর একই ধরনের উপসর্গ নিয়ে আরও নয় শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। অসুস্থ ১০ শিক্ষার্থীর সবাই ছাত্রী।

পরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বিদ্যালয় থেকে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছে।

বেতমোর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুল্লাহ বলেন, ‘দুপুর ১টার দিকে হঠাৎ এক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে একে একে আরও কয়েকজন একই ধরনের উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।’

কলাপাড়া হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. পলি সাহা বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, শিক্ষার্থীরা মাস সাইকোজেনিক হাইপারভেন্টিলেশন-এ আক্রান্ত হয়েছে। তবে বর্তমানে তাদের সবাই শঙ্কামুক্ত রয়েছে।

এদিকে, এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর কলাপাড়ার চম্পাপুর ইউনিয়নের এমইউ মাধ্যমিক বিদ্যালয়েও একই ধরনের ঘটনায় অর্ধশত শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। এক সপ্তাহের ব্যবধানে একই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তিতে স্থানীয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

Tag:
জনপ্রিয়

মির্জাগঞ্জে নবনির্বাচিত স্কুল পরিচালনা কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত: শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মাঝে নতুন ব্যাগ বিতরণ

আবারও কলাপাড়ায় বিদ্যালয়ে পাঠদান চলাকালে ১০ শিক্ষার্থী অসুস্থ, আতঙ্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ

আপডেট সময়: ১১:৩৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

শ্রেণিকক্ষে তখন চলছিল স্বাভাবিক পাঠদান। হঠাৎ এক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ার পর একে একে অসুস্থ হয়ে পড়ে আরও নয়জন। এ ঘটনায় বিদ্যালয়জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। বুধবার দুপুরে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার চাকামাইয়া ইউনিয়নের বেতমোর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১টার দিকে পাঠদান চলাকালে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী জাকিয়া হঠাৎ পেটব্যথা, পা ঝিঁঝি ধরা ও শ্বাসকষ্টে অসুস্থ হয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ পর একই ধরনের উপসর্গ নিয়ে আরও নয় শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। অসুস্থ ১০ শিক্ষার্থীর সবাই ছাত্রী।

পরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বিদ্যালয় থেকে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছে।

বেতমোর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুল্লাহ বলেন, ‘দুপুর ১টার দিকে হঠাৎ এক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে একে একে আরও কয়েকজন একই ধরনের উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।’

কলাপাড়া হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. পলি সাহা বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, শিক্ষার্থীরা মাস সাইকোজেনিক হাইপারভেন্টিলেশন-এ আক্রান্ত হয়েছে। তবে বর্তমানে তাদের সবাই শঙ্কামুক্ত রয়েছে।

এদিকে, এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর কলাপাড়ার চম্পাপুর ইউনিয়নের এমইউ মাধ্যমিক বিদ্যালয়েও একই ধরনের ঘটনায় অর্ধশত শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। এক সপ্তাহের ব্যবধানে একই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তিতে স্থানীয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।