“গণভোট ২০২৬ সংসদ নির্বাচন দেশের চাবি আপনার হাতে” এ শ্লোগান নিয়ে পটুয়াখালীতে গণভোট ২০২৬ বিষয়ে প্রচারণা সংক্রান্ত “রোড শো” অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়য়ারী) বেলা ১১ টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে জেলা প্রশাসন আয়োজনে গণভোট ২০২৬ বিষয়ে প্রচারণা সংক্রান্ত “রোড শো” এর উদ্বোধন উপলক্ষে অস্থায়ী মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধনী বক্তব্য শেষে আকাশে বেলুন ফেস্টুন উড়িয়ে “রোড শো” এর উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী।
পটুয়াখালীর রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি) রেজওয়ানা চৌধুরী’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার ওহিদুজ্জামান মুন্সি। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবু ইউসুফ, সিভিল সার্জন ডাঃ মো. খালেদুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মাসুদ উল আলম, স্থানীয় সরকার পটুয়াখালীর উপপরিচালক (উপসচিব) জুয়েল রানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিটি-শিক্ষা) মোহাম্মদ তারেক হাওলাদার, সিনিয়র তথ্য অফিসার অনিমেষ চন্দ্র হালদার, সহকারি কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানজিদা আক্তার পুষ্প, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রওজাতুন জান্নাত এবং পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক গণদাবীর সম্পাদক গোলাম কিবরিয়াসহ বিভিন্ন সরকারি- বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য এবং বিভিন্ন শ্রেনী পেশার প্রতিকী নেতৃবৃন্দ।
‘রোড শো’ টি শহরের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সড়ক ও এলাকা প্রদক্ষিণ করে পুনরায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।
রোড শো’তে বিভিন্ন ধরনের গাড়িতে বাদ্যযন্ত্র সহকারে সংগীত পরিবেশন করে গণভোটের প্রধান চারটি বিষয়ক ব্যানার, ফেস্টুন হাতে নিয়ে সড়ক প্রদক্ষিণ করা হয়।
আসছে ১২ ফেব্রুয়ারী গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহনে জণগনকে সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করতে এ “রোড শো” এর আয়োজন করা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী সাংবাদিকদেরসহ উপস্থিত সকলকে জানান।
গণভোটের ব্যালটে যে বিষয়গুলো উপস্থাপিত থাকবে সে বিষয় চারটি হচ্ছে- ক. নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হইবে। খ.আগামী জাতীয় সংসদ হবে দুই কক্ষ বিশিস্ট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনপাতে ১০০ সদস্য বিশিস্ট একটি উচ্চ কক্ষ গঠিত হইবে এবং সংবিধান সংশোধন করিতে হইলে উচ্চ কক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হইবে। গ. সংসদে নারীর প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল হইতে ডেপুটি স্পীকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, মৌলিক অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্থানীয় সরকার, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাসহ তফসিলে বর্ণিত যে ৩০টি বিষয়ে জুলাই জাতীয় সংসদ সনদে ঐক্যমত্য হইয়াছে সেগুলো বাস্তবায়নে আগামী সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী রাজনৈতিক দলগুলো বাধ্য থাকবে। ঘ. জুলাই জাতীয় সনদে বর্ণিত অপরাপর সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হইবে।
জালাল আহমেদ: 














