দেশ মাতৃকা ও বিশ্ব জননীর সকল সন্তানের শান্তি ও কল্যান কামনায় পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালীতে কন্দ্রীয় শ্রী শ্রী হরি-গুরুচাঁদ মতুয়া মিশন মন্দির ও শ্রীমৎ উত্তম গোসাঁই ভক্ত সেবাশ্রমে চারদিন ব্যাপী ২০ বার্ষিক হরিনাম কীর্তন ও মতুয়া মহোৎসব শেষ হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত) শুরু হওয়া অনুষ্ঠান মালার মধ্যে রয়েছে শুভ অধিবাস, মঙ্গলঘট স্থাপন, পূজা অর্চনা, শ্রী শ্রী হরিলীলামৃত পাঠ, সন্ধ্যা আরতী ও শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাবের উপর আলোচনা, হরিনাম সংর্কীতন, কবি গান, নিদুবনে শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ যাত্রাপালা, ভক্তিমূলক গান ও মঙ্গল শোভাযাত্রা।
এবার বাংলা ও ওপার বাংলা ধর্ম প্রচারক এই মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা মতুয়ারত্ন শ্রীমৎ উত্তম গোঁসাই’র তত্ববধানে অনুষ্ঠানে মঙ্গল আর্শিবাদক ছিলেন শ্রীশ্রী হরি-গুরুচাঁদ মতুয়া মিশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও শ্রীধাম ওড়াকান্দি গদিসমাসীন প্রতিভু অবতার মহা-মতুয়াচার্য শ্রী পদ্মনাভ ঠাকুর। শ্রী শ্রী হরি-গুরুচাঁদ মতুয়া মিশন মন্দির ও শ্রীমৎ উত্তম গোসাঁই ভক্ত সেবাশ্রমের সভাপতি শ্রী সুকুমার চন্দ্র দাস এর সভাপতিত্বে
শুভ উদ্বোধক ও প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় শ্রী শ্রী হরিগুরুচাঁদ মতুয়া মিশন ও প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী সভাপতি মতুয়ামাতা শ্রীমতি সুবর্ণা ঠাকুর।
দুমকি সনাতনী যুব সংঘের সভাপতি শ্রী হিমাংশু চন্দ্র মিস্ত্রীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি শ্রী নিত্যানন্দ মজুমদার, বাকেরগঞ্জ মতুয়া মিশনের সভাপতি শ্রী অরুন কুমার তারকাদার,শ্রীমতি উষিশী মালাকার,দুমকি উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোঃ সুমন শরীফ,মির্জাগঞ্জ মতুয়া মিশনের সভাপতি শ্রী দিলীপ চন্দ্র মিস্ত্রি, উত্তম গোসাঁই ভক্ত সংগঠনের উপদেষ্টা শ্রী পবিত্র কুমার মজুমদার,সভাপতি শ্রী বিপ্লব চন্দ্র পাইক,সাধারন সম্পাদক উত্তম গোলদার। সব শেষে ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণের মধ্যে দিয়ে শেষ হবে এ মতুয়া সম্মেলন।
মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি শ্রী সুকুমার চন্দ্র দাস জানান, “বিভিন্ন এলাকা থেকে ধর্মপ্রাণ হিন্দুধর্মাম্বালিরা এ অনুষ্ঠানে অংশ নেয় এবং অনুষ্ঠান সুষ্ঠু করার জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন ছিলেন। এতে বিভিন্ন এলাকার ৩০টি মতুয়া দল অংশ নেয়।
সুনীল সরকার, পটুয়াখালীঃ 







