পটুয়াখালীতে ছোট ভাইয়ের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ে হওয়া বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় খন্দকার নাহিদ নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা পাঁচ সাত জনার নামে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। বৃহস্পতিবার রাতে প্রধান অভিযুক্ত মোঃমাহিন (২৩), মোঃ নাহিদ (২৩), মোঃ তুষার আহমেদ হৃদয় ওরফে ছোটন (২২) ও সাইফুল ইসলাম হীরা (২৩) নামের চার আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত বুধবার সন্ধ্যায় পটুয়াখালী পৌর শহরের ৮ নং ওয়ার্ডের পানির ট্যাংকের বিপরীতে হোয়াইট হাউজ নামক নির্মানাধীন ভবনের নিচ তলায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত দুই মাস আগে ঢাকায় ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে অধ্যায়নরত নিহতের ছোট ভাই খন্দকার ফাহিম এর বন্ধুর সাথে একই ইউনিভার্সিটির ছাত্র মোহাম্মদ মবিনের তুচ্ছ বিষয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে ইউনিভার্সিটিতে সিনিয়র শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান হলেও সেই ঘটনার রেশ ধরে গত মঙ্গলবার ফাহিম ও নাহিদকে মারধর করে অভিযুক্তরা।পরবর্তিতে বুধবার বিকেলে খন্দকার নাহিদের কর্মস্থলে গিয়ে ফের হামলা করে অভিযুক্তরা নাহিদকে ক্রিকেটের ব্যাট দিয়ে বেধরক মারধর করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় নাহিদকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রেফার করে। সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার নাহিদের মৃত্যু হয়।
পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, “মামলার প্রেক্ষিতে নিহত ৪ জন আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিহত নাহিদের মরদেহ বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।”
মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন স্বাধীন (২৩), নাজমুল (২২), ওমি (২৩), দিগন্ত (২২), ইমন (২৩) ও শাওন।
জালাল আহমেদ: 













