প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রধান কার্যালয়ে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে পটুয়াখালীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন প্রথম আলোর পটুয়াখালী প্রতিনিধি বিলাস দাস।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মানবজমিন পত্রিকার পটুয়াখালী প্রতিনিধি জালাল আহমেদ। তিনি বলেন, “স্বাধীন ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদই একটি দেশের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার প্রধান ভিত্তি। অথচ একটি অশুভ শক্তি পরিকল্পিতভাবে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের চেষ্টা করছে, যা দেশ ও গণতন্ত্রের জন্য মারাত্মক হুমকি।” এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবী তিনি।
পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সমকাল ও আরটিভি প্রতিনিধি মুফতি সালাহউদ্দিন বলেন, “স্বাধীনতার পর এই প্রথম দেশের দুটি শীর্ষ গণমাধ্যমের কার্যালয়ে এমন ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটল। এটি ভবিষ্যৎ সাংবাদিকতার জন্য অশনি সংকেত। এখনই এ ধরনের অপশক্তিকে প্রতিহত না করা গেলে গোটা গণমাধ্যম জগত অস্তিত্ব সংকটে পড়বে।”
আরো বক্তব্য রাখেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কবি সুবাস চন্দ। তিনি বলেন, “২৪ জুলাই- আগস্টের পর দেশের চতুর্থ স্তম্ভ মিডিয়ার উপর এ ধরনে ন্যাক্কারজন হামলা মানুষ আশা করেনি। এ হামলার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা দেশের জন্য গনতন্ত্রের জরুরী।”
বক্তারা আরো বলেন, “প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার দীর্ঘদিন ধরে বস্তুনিষ্ঠ ও সাহসী সাংবাদিকতার মাধ্যমে পাঠকের আস্থা অর্জন করেছে। একটি অশুভ শক্তি এসব গণমাধ্যম বন্ধ করে দেওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। এই শক্তিকে রুখতে না পারলে শুধু গণমাধ্যম নয়, দেশের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতাও হুমকির মুখে পড়বে।”
মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক নয়াদিগন্তের প্রতিনিধি গোলাম কিবরিয়া, সাবেক সভাপতি ও বিটিভি-বাসস প্রতিনিধি কাজী শামসুর রহমান ইকবাল, বাংলাদেশ প্রতিদিন ও বিডি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিনিধি সঞ্জয় কুমার দাস লিটু, দৈনিক জনকণ্ঠের প্রতিনিধি মোখলেছুর রহমান, প্রথম আলো’র বাউফল প্রতিনিধি এবিএম মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ বেতারের প্রতিনিধি আতিকুর রহমান, নারী সাংবাদিক আফরিন জাহান নীনা, নিউজ টোয়েন্টিফোর টিভির প্রতিনিধি সিকদার জোবায়ের হোসেন, সময় টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার সিকদার জাবির হোসেন এবং চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের প্রতিনিধি মনোজ কান্তি রানা।
এছাড়াও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী মশিউর রহমান, ইব্রাহিম খলিল সাঈদ, শিকদার জুবায়ের হোসেন, শিকদার জাবির হোসেন, আরিফুজ্জামান তুহিন, তরিকুল ইসলাম মুন্না, ফিরোজ আহমেদ , জামাল আকন, শফিকুল ইসলাম সুমনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
জালাল আহমেদ: 














