র্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্প এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫ইং তারিখ গভীর রাতে পটুয়াখালী জেলার মহিপুর থানাধীন পশ্চিম সাজুরা এলাকা হতে অভিযান পরিচালনা করে মহিপুরে চাঞ্চল্যকর ট্রলারের মাঝি শহিদুল হত্যার ঘটনায় দীর্ঘদিনের পলাতক প্রধান অভিযুক্ত মোঃ সোহেল ফকির (৩৪) পিতা মৃত আমজেদ আলী ফকির, মাতা কদবানু, সাং- সাজুরা, থানা মহিপুর জেলা পটুয়াখালী’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
ঘটনার বিবরনে জানা যায়, মামলার বাদী মোঃ রাসেল হাওলাদার (৪০) ভিকটিম মৃত শহিদুল ইসলাম এর ছোট ভাই। ভিকটিম ট্রলারের মাঝি হিসাবে জিবিকা নির্বাহ করতো। বিবাদীরা ভিকটিমের পরিচালনাধীন ট্রলারের জেলে জনৈক ইব্রাহিমের কাছে ২,৪০০/- (দুই হাজার চারশত) টাকা পাবে মর্মে দাবী করে। উক্ত টাকার জন্য বাদীর ভাই ভিকটিম শহিদুল ইসলামকে বিবাদীগণ অন্যায়ভাবে চাপ সৃষ্টি করে। ভিকটিম শহিদুল ইসলাম উক্ত ঘটনার কথা স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিসহ কয়েকজন স্বাক্ষীদের জানায়। বিবাদীগণ উক্ত বিষয় জানতে পেরে ভিকটিম শহিদুল ইসলামের উপর আরো ক্ষিপ্ত হয়। ঘটনার দিন ও সময় অর্থাৎ ইং ২৬/০৬/২০২৫ তারিখ ভিকটিম তার বাসস্থান বাজরা আবাসনে তার ঘরের সামনে কাজ করা অবস্থায় ১নং বিবাদীর হাতে থাকা লোহার রড দিয়া বাদীর ভাই শহিদুল ইসলামকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথা লক্ষ্য করে সজোরে পরপর বারি দিতে থাকে। উক্ত বারি ভিকটিম শহিদুল ইসলাম মাথার ডান পাশে পড়ে প্রচুর রক্তক্ষরন হতে থাকে। অন্যান্য বিবাদীরা ভিকটিমকে এলোপাথারী ভাবে পিটাইতে থাকে। তখন বাদীর ডাক-চিৎকারে লোকজন আসলে ভিকটিমকে উদ্ধার করে কুয়াকাটা তুলাতলী ২০ শয্যা হাসপাতালে নিয়া গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোঃ শহিদুল ইসলামকে মৃত্যু ঘোষনা করেন। পরবর্তীতে ভিকটিমের ছোট ভাই বাদী হয়ে বিবাদীদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।উল্লেখ্য অভিযুক্ত সোহেল ফকিরের বিরুদ্ধে মাদকসহ আরো একাধিক মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পটুয়াখালী জেলার মহিপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র্যাব-৮, সিপিসি-১ এর কোম্পানি অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লিডার রাশেদ জানিয়েছেন।
সাউথ বিডি নিউজ ২৪ ডেস্কঃ 














