সুনিল সরকার, পটুয়াখালী: নিষেধাজ্ঞা শেষে গতকাল মধ্যরাত থেকে নদ-নদীর মোহনা ও গভীর সাগরে মাছ শিকারে নেমেছেন জেলেরা। নদ-নদীতে আশানুরূপ মাছ না পেয়ে হতাশ জেলেরা। পটুয়াখালীর পায়রা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে কিছু জেলে অল্প স্বল্প মাছ পেলেও অধিকাংশ জেলেই ফিরছেন খালি হাতে। টানা ২২ দিন বেকার থাকার পরে আশায় বুক বেঁধে মাছ ধরতে গেলেও তেলের খরচ ওঠেনি অনেকের। এতে নতুন করে বিপাকে পড়বেন অনেক জেলে।
তবে সাগর মোহনায় মিলছে কাঙ্খিত ইলিশ। গতকাল মধ্যরাতে সাগর মোহনায় গিয়ে প্রচুর মাছ শিকার করে মহিপুর আলিপুর মৎস বন্দরে ফিরেছে বেশ কয়েকটি ট্রলার। ফলে মৎস্যজীবীদের হাকডাকে সরগরম হয়ে উঠেছে মৎস্য বন্দরের বেশিরভাগ আড়ৎ। চাহিদার তুলনায় মাছের পরিমান কম হওয়ায় অনেকটা চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। এছাড়া বাজারে বড় সাইজের ইলিশের সংখ্যাও অনেক কম। ১ কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার থেকে ২২০০ টাকা কেজি দরে, ৮ শ‘ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকা কেজি দরে ও জাটকা ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৫০০ শ‘ টাকা কেজি দরে। ৩ থেকে ৪ দিন পর গভীর সাগর থেকে জেলেরা ফিরলে ইলিশের সরবারহ কিছুটা বাড়তে পারে এবং দাম কিছুটা কমতে পারে বলে জানিয়েছে ব্যবসায়ীরা।
সুনিল সরকার, পটুয়াখালী: 














