১২:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পটুয়াখালীতে আমনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা; কৃষকদের মুখে হাসি

জালাল আহমেদ, পটুয়াখালীঃ পটুয়াখালীতে আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনায় কৃষকদের মাঝে বইছে সাফল্যের আনন্দ হাসি।

পটুয়াখালী কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর খামারবাড়ি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩- ২০২৪ খরিপ-২ মৌসুমে পটুয়াখালী জেলায় আমন জমি আবাদের লক্ষ্যমাত্র ছিল ১ লক্ষ ৮৯ হাজার ৯৫০ হেক্টর। এ লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে ১০ হাজার ১৬৯ হেক্টর বেশী জমি আবাদ হয়েছে। এ আবাদকৃত আমনের মধ্যে উফশী জাতের ১ লক্ষ ১৪ হাজার ২৬৩ হেক্টর, স্থানীয় জাতের ৭৫ হাজার ৭৩০ হেক্টর ও হাইব্রিড জাতের ১২৬ হেক্টর।

উক্ত আবাদের মধ্যে সদর উপজেলায় উফশী ৯,২৭৯ হেক্টরসহ স্থানীয় মোট ২৪,৪৯৩ হেক্টর, বাউফলে উফশী ১৮,৫৪১ হেঃ সহ ৩৪,৭০১ হেক্টর, গলাচিপায় উফশী ২৭,২৫০ হেক্টরসহ স্থানীয় মোট ৩৬,০০৫ হেক্টর, কলাপাড়ায় উফশী ২৩,০৪২ হেক্টরসহ স্থানীয় মোট ৩০,৭০১ হেক্টর, দশমিনায় উফশী ১২,৯৭০ হেঃসহ স্থানীয় মোট ১৮,১৬২ হেক্টর, মির্জাগঞ্জে উফশী ১,৩৮১ সহ স্থানীয় ১০,০৫৬ হেক্টর, দুমিকে উফশী ২,৮১০ হেঃ সহ স্থানীয় মোট ৬,৬৪১ হেক্টর ও রাঙ্গাবালী উপজেলায় উফশী জাতের ১৮,৯৯০ হেক্টরসহ স্থানীয় মোট ২৯,৩৬০ হেক্টর আবাদ হয়েছে।

সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের বশাকবাজার এলাকার কৃষক বেল্লাল মাদবর জানান, এ বছর ৬০ কাঠা জমিতে আমন চাষ করেছি। এতে প্রায় ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এবার আমন ফলন ভাল দেখাচ্ছে। যদি কোন বালা মছিবত ও পোকা মাকড় দেখা না গেলে প্রতি কাঠায় ৬০ কেজি করে ৯০ মন ধান পাওয়া যাবে। যার দাম হবে প্রতিমন ১ হাজার টাকা হলে ৯০ হাজার টাকা, প্রতিমন ৯০০ টাকা হলে হইবে ৮১ হাজার টাকা। লাভ ভাল হইবে আশা করি।

পটুয়াখালী জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর খামার বাড়ির উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম জানান, কোন ধরনে দুর্যোগ ও পোকার আক্রমন না হলে আমন ফলন বেশী আশা করা যায়।

Tag:

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সেইভ করুন:

আমাদের সম্পর্কে জানুন:

South BD News 24

South BD News 24 is committed to publish the daily news of South Bengal based on authenticity, honesty and courage...

পাথরঘাটায় চাঞ্চ*ল্যকর সুজন হ*ত্যা মামলার চার অভিযুক্ত র‍্যাব এর অভিযানে গ্রে*ফতার

পটুয়াখালীতে আমনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা; কৃষকদের মুখে হাসি

আপডেট সময়: ১০:০৪:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৩

জালাল আহমেদ, পটুয়াখালীঃ পটুয়াখালীতে আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনায় কৃষকদের মাঝে বইছে সাফল্যের আনন্দ হাসি।

পটুয়াখালী কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর খামারবাড়ি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩- ২০২৪ খরিপ-২ মৌসুমে পটুয়াখালী জেলায় আমন জমি আবাদের লক্ষ্যমাত্র ছিল ১ লক্ষ ৮৯ হাজার ৯৫০ হেক্টর। এ লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে ১০ হাজার ১৬৯ হেক্টর বেশী জমি আবাদ হয়েছে। এ আবাদকৃত আমনের মধ্যে উফশী জাতের ১ লক্ষ ১৪ হাজার ২৬৩ হেক্টর, স্থানীয় জাতের ৭৫ হাজার ৭৩০ হেক্টর ও হাইব্রিড জাতের ১২৬ হেক্টর।

উক্ত আবাদের মধ্যে সদর উপজেলায় উফশী ৯,২৭৯ হেক্টরসহ স্থানীয় মোট ২৪,৪৯৩ হেক্টর, বাউফলে উফশী ১৮,৫৪১ হেঃ সহ ৩৪,৭০১ হেক্টর, গলাচিপায় উফশী ২৭,২৫০ হেক্টরসহ স্থানীয় মোট ৩৬,০০৫ হেক্টর, কলাপাড়ায় উফশী ২৩,০৪২ হেক্টরসহ স্থানীয় মোট ৩০,৭০১ হেক্টর, দশমিনায় উফশী ১২,৯৭০ হেঃসহ স্থানীয় মোট ১৮,১৬২ হেক্টর, মির্জাগঞ্জে উফশী ১,৩৮১ সহ স্থানীয় ১০,০৫৬ হেক্টর, দুমিকে উফশী ২,৮১০ হেঃ সহ স্থানীয় মোট ৬,৬৪১ হেক্টর ও রাঙ্গাবালী উপজেলায় উফশী জাতের ১৮,৯৯০ হেক্টরসহ স্থানীয় মোট ২৯,৩৬০ হেক্টর আবাদ হয়েছে।

সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের বশাকবাজার এলাকার কৃষক বেল্লাল মাদবর জানান, এ বছর ৬০ কাঠা জমিতে আমন চাষ করেছি। এতে প্রায় ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এবার আমন ফলন ভাল দেখাচ্ছে। যদি কোন বালা মছিবত ও পোকা মাকড় দেখা না গেলে প্রতি কাঠায় ৬০ কেজি করে ৯০ মন ধান পাওয়া যাবে। যার দাম হবে প্রতিমন ১ হাজার টাকা হলে ৯০ হাজার টাকা, প্রতিমন ৯০০ টাকা হলে হইবে ৮১ হাজার টাকা। লাভ ভাল হইবে আশা করি।

পটুয়াখালী জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর খামার বাড়ির উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম জানান, কোন ধরনে দুর্যোগ ও পোকার আক্রমন না হলে আমন ফলন বেশী আশা করা যায়।