০৫:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কথাসাহিত্যিক রুদ্র মুহম্মদ জাহিদুল এর উপন্যাস “পথের শেষে শেষ দেখা” গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

গোপাল হালদার, পটুয়াখালীঃ পটুয়াখালী রাঙ্গাবালী উপজেলার কৃতি সন্তান, বর্তমান সময়ের বহুল আলোচিত তরুণ লেখক রুদ্র মুহম্মদ জাহিদুল। একের পর এক বই লিখে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে তরুণ সমাজে। তার বুকের ভেতর অফুরন্ত গল্পের বসতি। সে সব গল্পেই তুলে ধরেন সমাজের অবহেলিত মানুষের জীবন কাহিনী। তার নতুন উপন্যাস “পথের শেষে শেষ দেখা” মোড়ক উন্মোচিত হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যা ৬ টার সময় পটুয়াখালী শহীদ স্মৃতি পাঠাগারে “পথের শেষে শেষ দেখা” উপন্যাসের মোড়ক উন্মোচিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর জাফর আহমেদ, কবি এস এম ফরিদ উদ্দিন, কবি গাজি হানিফ, এছাড়াও সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুল মালেক।

এ সময় আলোচকরা বলেন, লেখালেখির প্রবল আগ্রহ থেকে সাহিত্যের সকল শাখায় বিচরণ করছেন। একের পর এক লিখছেন তুমুল পাঠকপ্রিয় সব উপন্যাস, কাব্যগ্রন্থ। রংধনুটা যখন আমার, মুজিব শতবর্ষ, মজার ছড়া পড়ি তার উল্লেখযোগ্য জনপ্রিয় বই। লেখকের সদ্য প্রকাশিত উপন্যাস পথের শেষে শেষ দেখা উচ্ছ্বাস প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে। উপন্যাসটি তিন বছর সাধনা করে লিখেছেন তিনি। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে লেখালেখির হাতেখড়ি। করোনার করুণ সময়ে উপন্যাসটি রচনা করেছেন । যেখানে উল্লেখ আছে করোনার ভয়ংকর অবস্থায় ব্যাচেলর শিক্ষার্থীদের অবস্থা কতটা কষ্টে কেটেছে। প্রতিকূল পরিবেশকে মোকাবিলা করে সমাজের অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সহ সামাজিক বিভিন্ন প্রেক্ষাপট।

এছাড়াও দেশের বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকা থেকে শুরু করে ভারত, রাশিয়া, ফ্রান্সের বিভিন্ন পত্রিকায় প্রতিনিয়ত প্রকাশিত হচ্ছে তার লেখা। তার লেখায় ফুটে উঠছে দেশপ্রেম, সমাজের নানা রূপ চিত্র। যা দিনে দিনে পাঠকের মনকে জয় করে নিচ্ছে।

রুদ্র মুহম্মদ জাহিদুল পটুয়াখালী জেলার, রাংগাবালী উপজেলার গাইয়াপাড়া গ্রামে ২৫ সেপ্টেম্বর ২০০০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা খাইরুল ইসলাম টিপু এবং মাতা আফসানা আক্তার হেনেরা। টুঙ্গিবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং বড়বাইশদিয়া মাহবুবুর রহমান কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেন। বর্তমানে তিনি পটুয়াখালী সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। পড়াশোনার পাশাপাশি সাহিত্য চর্চায় এগিয়ে যাচ্ছেন।

লেখক, পাঠকের ভালবাসা সহ জিতেছেন বেশ কয়েকটি পুরষ্কার। যার মধ্যে অন্যতম কবি সংসদ বাংলাদেশ সাহিত্য পুরষ্কার ২০২০। জসীম উদ্দিন সাহিত্য পুরষ্কার ২০২৩ এবং জীবনানন্দ দাশ সাহিত্য পুরষ্কার ২০২৩।

কথা সাহিত্যিক রুদ্র মুহাম্মদ জাহিদুল বলেন, গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে রামনাবাদ ও আগুনমুখা নদী। নদীর স্রোতের মতোই ভালবাসার অজস্র স্রোত বয়ে যায় গরীব দুঃখী হত দরিদ্র মানুষ গুলোর জন্য। সমাজ সেবা আমার একমাত্র ইচ্ছে চাওয়া পাওয়া। আমি মনে করি একটি সমাজ একটি জাতি একটি দেশ সামান্য পরিমাণ উপকৃত হতে পারলে তবে-ই জন্ম স্বার্থক। লেখালেখি করে‌ জীবনকে বাঁচিয়ে রাখতে চাই। লিখে যেতে চাই জীবনের শেষ বেলা পর্যন্ত। উপহার দিতে চাই সাহিত্যের নতুন অধ্যায়। আমার লেখা পথের শেষে শেষ দেখা বইটি উৎসর্গ করেছেন পটুয়াখালী সরকারি কলেজের প্রভাষক জনাব শতাব্দী সুকুল ম্যাম এবং কবি লুতফুল বারি পান্না ভাইকে।

Tag:

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সেইভ করুন:

আমাদের সম্পর্কে জানুন:

South BD News 24

South BD News 24 is committed to publish the daily news of South Bengal based on authenticity, honesty and courage...
জনপ্রিয়

জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ উপলক্ষে পটুয়াখালীর টাউন বহালগাছিয়া সঃ প্রাঃ স্কুলে চিত্রাংকন ও স্কুল ফিডিং অনুষ্ঠিত 

error: Content is protected !!

কথাসাহিত্যিক রুদ্র মুহম্মদ জাহিদুল এর উপন্যাস “পথের শেষে শেষ দেখা” গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

আপডেট সময়: ১২:৪৫:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৩

গোপাল হালদার, পটুয়াখালীঃ পটুয়াখালী রাঙ্গাবালী উপজেলার কৃতি সন্তান, বর্তমান সময়ের বহুল আলোচিত তরুণ লেখক রুদ্র মুহম্মদ জাহিদুল। একের পর এক বই লিখে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে তরুণ সমাজে। তার বুকের ভেতর অফুরন্ত গল্পের বসতি। সে সব গল্পেই তুলে ধরেন সমাজের অবহেলিত মানুষের জীবন কাহিনী। তার নতুন উপন্যাস “পথের শেষে শেষ দেখা” মোড়ক উন্মোচিত হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যা ৬ টার সময় পটুয়াখালী শহীদ স্মৃতি পাঠাগারে “পথের শেষে শেষ দেখা” উপন্যাসের মোড়ক উন্মোচিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর জাফর আহমেদ, কবি এস এম ফরিদ উদ্দিন, কবি গাজি হানিফ, এছাড়াও সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুল মালেক।

এ সময় আলোচকরা বলেন, লেখালেখির প্রবল আগ্রহ থেকে সাহিত্যের সকল শাখায় বিচরণ করছেন। একের পর এক লিখছেন তুমুল পাঠকপ্রিয় সব উপন্যাস, কাব্যগ্রন্থ। রংধনুটা যখন আমার, মুজিব শতবর্ষ, মজার ছড়া পড়ি তার উল্লেখযোগ্য জনপ্রিয় বই। লেখকের সদ্য প্রকাশিত উপন্যাস পথের শেষে শেষ দেখা উচ্ছ্বাস প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে। উপন্যাসটি তিন বছর সাধনা করে লিখেছেন তিনি। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে লেখালেখির হাতেখড়ি। করোনার করুণ সময়ে উপন্যাসটি রচনা করেছেন । যেখানে উল্লেখ আছে করোনার ভয়ংকর অবস্থায় ব্যাচেলর শিক্ষার্থীদের অবস্থা কতটা কষ্টে কেটেছে। প্রতিকূল পরিবেশকে মোকাবিলা করে সমাজের অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সহ সামাজিক বিভিন্ন প্রেক্ষাপট।

এছাড়াও দেশের বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকা থেকে শুরু করে ভারত, রাশিয়া, ফ্রান্সের বিভিন্ন পত্রিকায় প্রতিনিয়ত প্রকাশিত হচ্ছে তার লেখা। তার লেখায় ফুটে উঠছে দেশপ্রেম, সমাজের নানা রূপ চিত্র। যা দিনে দিনে পাঠকের মনকে জয় করে নিচ্ছে।

রুদ্র মুহম্মদ জাহিদুল পটুয়াখালী জেলার, রাংগাবালী উপজেলার গাইয়াপাড়া গ্রামে ২৫ সেপ্টেম্বর ২০০০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা খাইরুল ইসলাম টিপু এবং মাতা আফসানা আক্তার হেনেরা। টুঙ্গিবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং বড়বাইশদিয়া মাহবুবুর রহমান কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেন। বর্তমানে তিনি পটুয়াখালী সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। পড়াশোনার পাশাপাশি সাহিত্য চর্চায় এগিয়ে যাচ্ছেন।

লেখক, পাঠকের ভালবাসা সহ জিতেছেন বেশ কয়েকটি পুরষ্কার। যার মধ্যে অন্যতম কবি সংসদ বাংলাদেশ সাহিত্য পুরষ্কার ২০২০। জসীম উদ্দিন সাহিত্য পুরষ্কার ২০২৩ এবং জীবনানন্দ দাশ সাহিত্য পুরষ্কার ২০২৩।

কথা সাহিত্যিক রুদ্র মুহাম্মদ জাহিদুল বলেন, গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে রামনাবাদ ও আগুনমুখা নদী। নদীর স্রোতের মতোই ভালবাসার অজস্র স্রোত বয়ে যায় গরীব দুঃখী হত দরিদ্র মানুষ গুলোর জন্য। সমাজ সেবা আমার একমাত্র ইচ্ছে চাওয়া পাওয়া। আমি মনে করি একটি সমাজ একটি জাতি একটি দেশ সামান্য পরিমাণ উপকৃত হতে পারলে তবে-ই জন্ম স্বার্থক। লেখালেখি করে‌ জীবনকে বাঁচিয়ে রাখতে চাই। লিখে যেতে চাই জীবনের শেষ বেলা পর্যন্ত। উপহার দিতে চাই সাহিত্যের নতুন অধ্যায়। আমার লেখা পথের শেষে শেষ দেখা বইটি উৎসর্গ করেছেন পটুয়াখালী সরকারি কলেজের প্রভাষক জনাব শতাব্দী সুকুল ম্যাম এবং কবি লুতফুল বারি পান্না ভাইকে।